শিক্ষাছবি

এই শিক্ষার্থীদের দাবায়ে রাখা সম্ভব?

নৌকায় বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া
নৌকায় বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া
লিখেছেন গৌতম রায়

বর্ষাকাল যেহেতু, যাওয়া-আসার উপায় সীমিত। অভিভাবকরা সবাই মিলে চাঁদা তুলে ব্যবস্থা করে দেন একটি নৌকার। নৌকাটি কয়েকটি গ্রাম ঘুরে একবারে অনেক শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসে, ক্লাস শেষে নিয়ে যায়। প্রবল বৃষ্টির দিনে তাও সম্ভব হয় না। সমস্ত বাধাবিপত্তি স্বীকার করে যেসব শিশুকিশোর এসেছে বিদ্যালয়ে- পড়ালেখার আকাঙ্ক্ষায়, তাদেরকে কি কোনো প্রতিকূলতা দাবায়ে রাখতে পারে?

নৌকায় বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া

নৌকায় বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া

ছবিটা বেশ কয়েক বছর আগে তোলা। শিক্ষার দিক দিয়ে হাওর এলাকা পিছিয়ে আছে- সেটা আমরা সবাই জানি; কিন্তু কতোটা পিছিয়ে? কেন পিছিয়ে? এ বিষয়ে একটি গবেষণা কাজে যাওয়া হলো সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার বেশ কিছু গ্রামে, একেবারে ঘোর বর্ষাকালে। গ্রামগুলো একেকটা যেন একেকটা দ্বীপ। প্রতি গ্রামে বিদ্যালয় নেই। পাঁচ-ছয়টি গ্রাম মিলে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দশ-বারোটি গ্রাম খুঁজলে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় পাওয়া যায়, কলেজের কথা না হয় থাকুক। বর্ষাকাল যেহেতু, যাওয়া-আসার উপায় সীমিত। অভিভাবকরা সবাই মিলে চাঁদা তুলে ব্যবস্থা করে দেন একটি নৌকার। নৌকাটি কয়েকটি গ্রাম ঘুরে একবারে অনেক শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসে, ক্লাস শেষে নিয়ে যায়। প্রবল বৃষ্টির দিনে তাও সম্ভব হয় না। সমস্ত বাধাবিপত্তি স্বীকার করে যেসব শিশুকিশোর এসেছে বিদ্যালয়ে- পড়ালেখার আকাঙ্ক্ষায়, তাদেরকে কি কোনো প্রতিকূলতা দাবায়ে রাখতে পারে?

লেখক সম্পর্কে

গৌতম রায়

মন্তব্য লিখুন

two × 3 =