‘শুদ্ধস্বর-বাংলাদেশের শিক্ষা ত্রৈমাসিক সেরা লেখা পুরস্কার’: জানুয়ারি – মার্চ ২০১৪ প্রান্তিকের...
প্রিয় লেখক ও পাঠক, আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, ২০১৪ সালের জানুয়ারি - মার্চ পর্যন্ত যেসব লেখা ‘বাংলাদেশের শিক্ষা’ ওয়েব সাইটে প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে...
শিক্ষাক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশন: সংশ্লিষ্টদের বিড়ম্বনা
ডিজিটালাইজেশন তথা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের সম্প্রসারণের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে তথ্যের আদান-প্রদানকে সহজলভ্য করে মানুষের সময়, শ্রম ও অর্থের সাশ্রয় করা। এক্ষেত্রে পরিকল্পনা প্রণয়ন পর্যায়ে দেশে বিরাজমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সুবিধা ও সুবিধাভোগীদের প্রযুক্তিজ্ঞানের কথা যেমন মাথায় রাখতে হবে, তেমনি গৃহীত পদক্ষেপ বা পদ্ধতি কতটা সুবিধা দিতে পারছে তাও নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে। আর তাহলেই আমরা এগিয়ে যেতে পারবো তথ্যপ্রযুক্তির অপার সম্ভাবনার রাজ্যে।
প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৪ পালন ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা
আমাদের জন্য এটি একটি আনন্দের সংবাদ যে, শত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ সরকার শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়ার পক্ষে। শিক্ষাক্ষেত্রে গৃহীত সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ যেমন বিনামূল্যে...
ইন্টার্নশিপ হতে পারে সমাজ বদলের হাতিয়ার
আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বুঝতে পারি যে, একজন শিক্ষার্থী যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে তখন তার মাঝে দেশপ্রেমের নেশা প্রবল হয়ে দেখা দেয়। আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করি, তখন কতো চিন্তা মাথায় ভর করতো তার ইয়াত্তা নেই। মনে হতো এই এডুকেশন সিস্টেম পাল্টাতে হবে, এটা করতে হবে, ওটা করতে হবে। এরপর যখন প্র্যাকটিস টিচিং-এ গেলাম, তখন কত স্বপ্ন মাথায় ভর করতো। রাত জেগে জেগে শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ পরিকল্পনা করা, উপকরণ তৈরি করাতে মত্ত হয়ে পড়তাম। এটা-ওটা ঘেটে তাদের জন্য লেকচার তৈরি করতাম। আর সেই আমরাই যখন কর্মজীবনে প্রবেশ করি তখন হয়ত কাজের চাপে আর নানান চাপে এ কাজ আর করা হয় না। তখন দায়সারাভাবে ক্লাশ নিতে পারলেই বাঁচি।
প্রশ্নপত্র ক্রয়ে বাধানিষেধ ও সৃজনশীলতা
পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও মডারেশনে শিক্ষকদের সঙ্কট প্রকট। পরিস্থিতি এমন যে, এসএসসির প্রি-টেস্ট ও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন পর্যন্ত বোর্ড থেকে করে দিতে হয়েছে কারণ অনেক স্কুল তা করতে পারেনি। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা, শিক্ষকতা পেশায় মেধাবীদের আকৃষ্ট করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করা সরকারের দায়িত্ব। এ দায়িত্ব সরকারকে কঠোরভাবে পালন করতে হবে। কোনো ধরনের তদবির বা নিয়ম-বহির্ভূত কাজ করা যাবে না। এসব কারণেই শিক্ষকতা পেশার এই হাল হয়েছে। এ পেশার করুণ দশার জন্য আমরা কাকে দোষারোপ করব? শিক্ষকদের? না আমাদের ব্যবস্থাকে?
ছাত্রজীবন সুখের জীবন, যদি না থাকে এক্সামিনেশন
শিক্ষার্থীরা সাধারণত যে পরীক্ষাগুলোর কথা শুনলে ভয় পায় তা হলো, দুইটি সাময়িক পরীক্ষা এবং একটি বার্ষিক অথবা সমাপনী পরীক্ষা। এই ভয় শুধু যে স্কুল-কলেজে ছিল তাই না, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এসেও দেখতে পাই ইনকোর্সের ভয়ে আমরা ভীত থাকতাম। একটি শিক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চলছে কিনা, এর উদ্দেশ্য কতটা সফল হলো, তা জানার যখন আরও অনেক ধরন (বাড়ির কাজ, শ্রেণির কাজ, মৌখিক প্রশ্ন-উত্তর, ব্যবহারিক কাজ) আছে; তবে এই পরীক্ষা নামক জুজুর ভয় কেন আমাদের পোহাতে হবে?
উচ্চশিক্ষায় গবেষণার গুরুত্ব
বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে একথা বলা অত্যুক্তি হবে না যে, প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের উন্নত দেশগুলির শিক্ষাব্যবস্থা যতখানি অগ্রসর, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা ততখানি অগ্রসর নয়। একথাও অস্বীকার করা যায় না যে, এসব উন্নত দেশের শিক্ষাব্যবস্থা অনুকরণ করে আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত করা আদৌ সম্ভবপর নয়। কেনোনা, আমাদের দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা অথবা ভৌগোলিক অবস্থান কোনোটাই ওসব দেশের সমপর্যায়ভুক্ত নয়। কাজেই আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা কীরকম হওয়া উচিত তা শুধু অনুমান করে বললেই চলবে না। এর জন্য প্রয়োজন ব্যাপক গবেষণা কর্মসূচি।
শিক্ষার্থীদেরকে দিয়ে ক্লাস নেওয়ানো: একটি প্রস্তাবনা
বাংলাদেশের মতো বৃহৎ শিক্ষাব্যবস্থা যেখানে, সেখানে উপযুক্ত শিক্ষকের প্রয়োজনীয়তা ও পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাব বরাবরের মতো চলে এসেছে, সেখানে শিক্ষার্থীকে শ্রেণি-কার্যক্রমে শিক্ষকের পাশাপাশি কাজে লাগানো ফলপ্রসু হওয়া বেশ সম্ভাবনাময় । সেক্ষেত্রে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা উপযুক্ত তাদের দিয়ে বিভিন্ন বিষয়ের ক্লাস নেওয়ানোর সংস্কৃতি প্রবর্তন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে প্রতিটি বিদ্যালয়ে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের একটি প্যানেল তৈরি করা যেতে পারে।







