একুশ শতকে বাংলাদেশের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ-ক্ষেত্রে আত্মীকৃত পরিভাষাগুলোর মধ্যে অন্যতম দুইটি শব্দবন্ধ হলো একীভূত শিক্ষা ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি। শিক্ষাব্যবস্থার প্রায় প্রতিটি স্তরেই একীভূত...
একুশ শতকে বাংলাদেশের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ-ক্ষেত্রে আত্মীকৃত পরিভাষাগুলোর মধ্যে অন্যতম দুইটি শব্দবন্ধ হলো একীভূত শিক্ষা ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি। শিক্ষাব্যবস্থার প্রায় প্রতিটি স্তরেই একীভূত শিক্ষার বাস্তবায়নে সর্বাধিক অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত লক্ষ্যদল হিসেবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিস্তর আলোচনা ও কাজ হচ্ছে। বর্তমান লেখাটি একীভূত শিক্ষাবিষয়ক প্রকল্প কিংবা শব্দকোষ নিয়ে নয়; বরং, নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া অভিজ্ঞতা আমাকে এটি লিখতে বাধ্য করেছে।
পেশায়...
আমাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক জিজ্ঞেস করেছিলেন, “বাংলাদেশে কি কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে?” আমি উত্তরে বলেছিলাম, বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় সবই সরকারি (৬৬ হাজার)।...
বাংলাদেশে শিক্ষার মান নিয়ে কথা হচ্ছে বহুদিন ধরে। শিক্ষার মানের সংজ্ঞা কী হবে এ নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করেন, তারা বিষয়টির বিপরীতে...
আমাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক জিজ্ঞেস করেছিলেন, “বাংলাদেশে কি কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে?” আমি উত্তরে বলেছিলাম, বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় সবই সরকারি (৬৬ হাজার)। এছাড়া বেসরকারি পর্যায়েও ৮০ হাজারের অধিক বিদ্যালয় রয়েছে, তবে সেগুলোর তেমন কোন স্বীকৃতি...
পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও মডারেশনে শিক্ষকদের সঙ্কট প্রকট। পরিস্থিতি এমন যে, এসএসসির প্রি-টেস্ট ও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন পর্যন্ত বোর্ড থেকে করে দিতে হয়েছে কারণ অনেক স্কুল তা করতে পারেনি। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা, শিক্ষকতা পেশায় মেধাবীদের আকৃষ্ট করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করা সরকারের দায়িত্ব। এ দায়িত্ব সরকারকে কঠোরভাবে পালন করতে হবে। কোনো ধরনের তদবির বা নিয়ম-বহির্ভূত কাজ করা যাবে না। এসব কারণেই শিক্ষকতা পেশার এই হাল হয়েছে। এ পেশার করুণ দশার জন্য আমরা কাকে দোষারোপ করব? শিক্ষকদের? না আমাদের ব্যবস্থাকে?