নাসরীন সুলতানা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টা থেকে একই বিষয়ে অর্জন করেছেন দ্বিতীয় মাস্টার্স ডিগ্রি। বর্তমানে নাসরীন সুলতানা কানাডার ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি গবেষণারত।
নাসরীন সুলতানা বাংলাদেশের শিক্ষার বিভিন্ন বিষয় এবং সমসাময়িক সামাজিক এবং রাজনৈতিক সমস্যা নিয়ে নিয়মিত দৈনিক পত্রিকা এবং অনলাইন...
অপার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের শিক্ষা অনেকদিন ধরেই বেশ কিছু নির্দিষ্ট সমস্যার বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে। এসব সমস্যার কারণ হিসেবে তিনটি বিষয় প্রণিধানযোগ্য: শিক্ষাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে...
ওমর শেহাব জানিয়েছেন, তিনি নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সম্প্রতি তিনি প্রথম আলোয় ‘নতুন শিক্ষাক্রমে দুটি বড় ভুল’ শিরোনামে তাঁর...
আমাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক জিজ্ঞেস করেছিলেন, “বাংলাদেশে কি কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে?” আমি উত্তরে বলেছিলাম, বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় সবই সরকারি (৬৬ হাজার)। এছাড়া বেসরকারি পর্যায়েও ৮০ হাজারের অধিক বিদ্যালয় রয়েছে, তবে সেগুলোর তেমন কোন স্বীকৃতি...
নূরুল ইসলাম লিখেছেন মাধ্যমিক স্তরে সুশিক্ষা নিয়ে
যুগোপযোগী ও মানবিক জাতি গঠনের জন্য সুশিক্ষার অবদান সর্বজনবিদিত। মানুষকে সুশিক্ষিত করে আলোকিত সমাজ নির্মাণের জন্য তাই পৃথিবীর...
বর্তমান সরকার শিক্ষার উন্নয়নের জন্য উল্লেখযোগ্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, নকল বন্ধ এবং ষষ্ঠ ও অষ্টম শ্রেণীতে মূল্যায়ণ পরীক্ষা চালু। মূল্যায়ন পরীক্ষা...
পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও মডারেশনে শিক্ষকদের সঙ্কট প্রকট। পরিস্থিতি এমন যে, এসএসসির প্রি-টেস্ট ও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন পর্যন্ত বোর্ড থেকে করে দিতে হয়েছে কারণ অনেক স্কুল তা করতে পারেনি। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা, শিক্ষকতা পেশায় মেধাবীদের আকৃষ্ট করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করা সরকারের দায়িত্ব। এ দায়িত্ব সরকারকে কঠোরভাবে পালন করতে হবে। কোনো ধরনের তদবির বা নিয়ম-বহির্ভূত কাজ করা যাবে না। এসব কারণেই শিক্ষকতা পেশার এই হাল হয়েছে। এ পেশার করুণ দশার জন্য আমরা কাকে দোষারোপ করব? শিক্ষকদের? না আমাদের ব্যবস্থাকে?