বাড়ি প্রচ্ছদ পৃষ্ঠা 39

‘শুদ্ধস্বর-বাংলাদেশের শিক্ষা’ ত্রৈমাসিক সেরা লেখা পুরস্কার: অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০১২ প্রান্তিকের সেরা লেখা-...

বর্তমান যুগে আইসিটি এবং ইংরেজি হচ্ছে টিকে থাকার অন্যতম দক্ষতা- এ বিষয়টি ফারহানা মান্নানের লেখায় সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে ।

‘শুদ্ধস্বর-বাংলাদেশের শিক্ষা’ ত্রৈমাসিক সেরা লেখা পুরস্কার: জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১২ প্রান্তিকের সেরা লেখা-...

অভিনন্দন আহ্‌মদ ইকরাম আনাম। আমরা আশা করবো, ভবিষ্যতে আপনার শক্তিশালী লেখনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রের এ ধরনের অনুচ্চারিত বিষয়গুলো তুলে আনবেন, পাশাপাশি সেগুলো কীভাবে সমাধান করা যায় তারও দিকনির্দেশনা আমরা আপনার কাছ থেকে আশা করি।

যৌনকর্মীর ছেলে-মেয়েদের শিক্ষার জন্য একটি স্কুল ও ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়া: ১

আশার কথা তবুও এই সুবিধাবঞ্চিত ছেলে-মেয়েরা শিক্ষার আলোয় নিজেদেরকে আলোকিত করতে সংগ্রাম করছে, একই বিদ্যালয়ে সমাজের অন্যান্য শিশু-কিশোরদের সাথে তারা শিক্ষাগ্রহণ করছে, তারা তাদের সহপাঠীদের বাসায় যাচ্ছে। স্কুল থেকে তারা বিনামূল্যে বই পাচ্ছে, ড্রেস পাচ্ছে যার ফলে অন্যরা উৎসাহিত হচ্ছে তাদের ছেলে-মেয়েদেরকেও স্কুলে ভর্তি করতে।

গাছতলা, টিনের চালা কিংবা বহুতলা: কেমন হওয়া দরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়?

বিদ্যালয় পরিকল্পনার সময় মাথায় রাখতে হবে যে, বিদ্যালয় তৈরির উপকরণ থাকে শুরু করে, অবকাঠামোর নকশা ও নির্মাণে যেন শিশুদের পরিচিত উপকরণ ব্যবহার করা যায়। তাতে শিশুরা পরিচিত পরিবেশে অধিক নিরাপদ বোধ করবে যার ফলে শিখন হবে অনেক বেশি কার্যকর।

বিজ্ঞান শিক্ষা : পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ

বাংলাদেশের নতুন শিক্ষানীতি ২০১০-এ বিজ্ঞান শিক্ষায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। বর্তমানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যে পাঠ্যবই পড়ানো হচ্ছে, তাতে শিক্ষানীতির অনেক সফল বাস্তবায়ন হয়েছে।

টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে সৃজনশীল গাইড বই : দেখার কি কেউ নেই?

এসবিএ’র (স্কুল বেইসড অ্যাসেসমেন্ট) মানে যেমন ‘স্যারের বাসায় এসো’ হয়ে গিয়েছিল, তেমনি যেন সৃজনশীল প্রশ্ন ‘গাইড-বই-নির্ভরশীল’ না হয়ে পড়ে। নতুন নতুন পদ্ধতি চালুর সাথে তার বাস্তবায়ন যাতে সঠিকভাবে হয় তাও খেয়াল রাখা উচিত অর্থাৎ নিয়মিত সুপারভিশন ও মনিটরিং করা উচিত।

জাতীয়করণ হলো, এরপর কী?

আগামী দিনগুলোতে যদি এটা প্রতিষ্ঠা করা যায় যে, বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হলে তা গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়ক হয়, তাহলে তা নিশ্চয়ই মাধ্যমিক শিক্ষার ক্ষেত্রেও অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে। তখন হয়তো এমপিওভুক্তি বা জাতীয়করণ নিয়ে এখনকার মতো বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলন করতে হবে না। সরকারও চাইলে শিক্ষাখাতে জাতীয় আয়ের অন্তত ছয় শতাংশ বরাদ্দ রেখে এসব সমস্যার সমাধান সহজেই করতে পারে।

মানসম্মত ও টেকসই শিক্ষা উন্নয়ন

শিক্ষা এই উন্নয়নকে ত্বরান্বিত ও টেকসই করতে পারে তখনি যখন শিক্ষা নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য নিশ্চিত করা হবে, একই সাথে উচ্চ শিক্ষিত ও নিম্ন শিক্ষিত মানুষদের মধ্যে ফারাক কমিয়ে আনা হবে। তবে শিক্ষা অর্জনের ধরন আর প্রদানের ধরনে পরিবর্তন আনতে হবে। পাঠ্য বইয়ের শিক্ষাকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।