পরীক্ষা ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা

বোর্ড পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন কতোটা যথাযথ

মূল্যায়ন
লিখেছেন গৌতম রায়

বোর্ড পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের কি যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে? রাজধানীর মতিঝিল মডেল আইডিয়াল স্কুল ও কলেজের ইংরেজি ভার্সনের একজন শিক্ষার্থী ইংরেজি প্রথমপত্রে ৬০ পেয়েছে। বাকি সবগুলোতে সে জিপিএ-৫ পেয়েছে। ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রেও সে পেয়েছে ৯২।

ওই বিদ্যালয়ের ইংরেজি ভার্সনের ১৬ জন শিক্ষার্থীই ইংরেজি প্রথমপত্রে কম নম্বর পেয়েছে, অথচ অন্যান্য বিষয়ে তারা এ প্লাস পেয়েছে। ইংরেজি প্রথমপত্রে তারা ৫৫ থেকে ৬৪-এর মধ্যে নম্বর পেয়েছে। একই ঘটনা বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঘটেছে।

খাতা মূল্যায়নে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় আছে ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষার্থীরা। এর কারণ হচ্ছে ইংরেজি ভার্সনে যারা পড়াচ্ছেন তাদের বেশিরভাগেরই ইংরেজি ভার্সনে পড়ানোর দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অনেক বিদ্যালয়ে বাংলা ভার্সনের শিক্ষকগণও ইংরেজি ভার্সনের ক্লাস নেন। এসব শিক্ষক খাতাও মূল্যায়ন করছেন।

বর্তমানে ইংরেজি ভার্সনের প্রশ্নও সরাসারি করা হয় না দক্ষ শিক্ষকের অভাবের কারণে। বাংলা ভার্সনের প্রশ্নই ইংরেজিতে অনুবাদ করে পাবলিক পরীক্ষা নেয়া হয়।

এবার এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সারা দেশে ৩ লাখ ৬৯ হাজার খাতা পুর্নমূল্যায়নের আবেদন জমা হয়েছে। শুধু ঢাকা বোর্ডেই এক লাখ ৪০ হাজার ৯২৩টি খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন পড়েছে। আর আবেদনকারীর সংখ্যা ৫৮ হাজার ৭০জন।

২০১৮ সালেও এক লাখ ৩৮ হাজার খাতা পুর্নমূল্যায়নের জন্য আবেদন পড়েছিলো। সেখান থেকে এক হাজার ৯৯০ জনের ফলও পরিবর্তন করা হয়। প্রতিটি খাতা বাবদ পরীক্ষার্থীদের ফি দিতে হয়েছে ১২৫ টাকা। সে হিসেবে এই খাতা থেকেই এবার বোর্ডগুলোর আয় হবে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা।


এতো শিক্ষার্থী প্রতিবছর খাতা পুর্নমূল্যায়নের জন্য আবেদন করে এবং আবেদনের পর অনেক ফলও পরিবর্তিত হয়। বিষয়টি আসলে কী? আসলেই কি পরীক্ষার খাতা দ্বিতীয়বার মূল্যায়ন করা হয়?


এতো টাকা আয় করেও শুভংকরের ফাঁকি রেখেই খাতা পুর্নমূল্যায়নের কাজ হচ্ছে। ইতোমধ্যে মহামান্য হাইকোর্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষাবোর্ডগুলোর কাছে জানতে চেয়েছেন, খাতা পুর্নমূলায়ন কেন হবে না। এতো শিক্ষার্থী প্রতিবছর খাতা পুর্নমূল্যায়নের জন্য আবেদন করে এবং আবেদনের পর অনেক ফলও পরিবর্তিত হয়। বিষয়টি আসলে কী? আসলেই কি পরীক্ষার খাতা দ্বিতীয়বার মূল্যায়ন করা হয়?

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ অনেকেই মনে করেন যে, খাতা পুর্নমূল্যায়ণ মানে পুনরায় খাতা দেখা। মূলত হওয়াও উচিত তাই। কিন্তু হচ্ছে এর পুরো উল্টো। ফল নিরীক্ষণে মাত্র চারটি বিষয় দেখা হয়:

  • এক, সব প্রশ্নের উত্তরে নম্বর সঠিকভাবে বসানো হয়েছে কিনা;
  • দুই, প্রাপ্ত নম্বর গণনা ঠিকভাবে করা হয়েছে কিনা;
  • তিন, প্রাপ্ত নম্বর ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিডার) শিটে তোলা হয়েছে কিনা এবং;
  • চার, নম্বর অনুযায়ী ওএমআর শিটের বৃত্ত ভরাট ঠিক আছে কিনা।

আসল বিষয়টি অর্থাৎ উত্তরপত্র পুনরায় দেখা এবং মূল্যায়ন করা হয় না। একজন পরীক্ষক খাতা দেখার পর তার নম্বর প্রদান করা ঠিক আছে কিনা তা দেখা হয় না। আশ্চর্য হওয়ার বিষয়!

বোর্ড ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শুধু নম্বর যোগ-বিয়োগের ভুলেই একেকটি পাবলিক পরীক্ষায় প্রতিবছর হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়ে থাকে। এ যখন অবস্থা, তখন পুনরায় খাতা দেখলে আবেদনকারীদের বেশিরভাগেরই ফল পরিবর্তন হবে। পরীক্ষকদেরও আরও কয়েকগুণ ভুল ধরা পড়বে বলে সংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস এবং তা সহজেই বুঝা যায়।

যেনতেনভাবে হোক, অভিজ্ঞ শিক্ষকই হোক কিংবা খাতা মূল্যায়নের ওপর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকই হোক না কেন, ভুল হবেই। ভুলের একটি হচ্ছে সহনীয় মাত্রায়, আরেকটি হচ্ছে অসহনীয়, অমোচনীয়, অমার্জনীয়।

সরাসরি শিক্ষকতায় থাকাকালীন প্রতি বছর যখন বোর্ডে খাতা নিতে যেতাম তখন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকদের অনেক কথা শুনতাম। অনেক প্রমাণ তারা আমাদের দেখাতেন যে, কতো অভাবনীয় এবং কতো রকমের ভুল পরীক্ষকগণ করে থাকেন। পরীক্ষার খাতা নৌকা কিংবা লঞ্চডুবিতে ভেসে গেছে, পরীক্ষক অসুস্থতা হেতু বোর্ড পরীক্ষার খাতা ট্রেনে ফেলে এসেছেন, পরীক্ষার খাতা নিয়ে অথবা ফেলে দিয়ে কোনো কোনো পরীক্ষক বিদেশে চলে গেছেন, গৃহকর্মী দ্বারা ওএমআর শীট পূরণ করানো হয়েছে, ৮২-এর স্থলে নম্বর ২৮ দিয়ে ওএমআর শীট পূরণ করে চূড়ান্ত ফল তৈরি করা হয়েছে ইত্যাদি বহুরকমের তেলেসমাতি ঘটে বোর্ডের খাতায়।

আমি নিজেও অনেক সহকর্মীর খাতা দেখার ইতিহাস দেখেছি। আর ভেবেছি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কী বারোটাই না বাজানো  হচ্ছে! এক সহকর্মীর স্ত্রী উচ্চ-মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থী ছিলেন। তিনি নিজেই ওই বছর ইংরেজিতে ফেল করেছিলেন অথচ ওই সহকর্মী উচ্চ-মাধ্যমিকের পুরো খাতাগুলোই তার স্ত্রীর দ্বারা পরীক্ষা করিয়েছিলেন। এসব ঘটনা যুগের পর যুগ ঘটে আসছে।

কর্তৃপক্ষের কিছু পদক্ষেপ এ বিষয়গুলোতে পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। বিষয়গুলো নিয়ে বহুবছর ধরে বহুবার লেখালেখি করেছি কিন্তু পরিবর্তন এখনও খুব একটা দেখতে পাচ্ছি না। একমাত্র বেডু (বাংলাদেশ এক্সামিনেশন ডেভেলপমেন্ট ইউনিট) প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া। তবুও সেটি প্রশংসনীয়।

উত্তরপত্র মূল্যায়নে বেডুর উদ্যোগেই এখন পরীক্ষকদের মডেল উত্তরপত্র দেয়া হয়। পরীক্ষকদের ছয়দিনের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। কিন্তু ৬০ হাজার পরীক্ষককে প্রশিক্ষণ দিতে অনেক সময়ের প্রয়োজন। তাই বেডু নাকি অনলাইনেও এই প্রশিক্ষণ শুরু করেছে।


একজন শিক্ষার্থীর সারা জীবনের বিচার, তার দশ/বারো বছরের লেখাপড়ার বিচার, সারা জীবনের জন্য এক বৃহৎ রায় ঘোষণা করা হয় এই পাবলিক পরীক্ষার মাধ্যমে। যেভাবে এটি করা হয় সেটি কোনোভাবেই সঠিক রায় নয়। সঠিক মূল্যায়ন নয়।


খাতা মূল্যায়নে আগের চেয়ে অনেক উন্নতি হয়েছে তবে সিনসিয়ারলি যারা খাতা দেখেন না তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া আর মডেল উত্তরপত্র প্রদান করেই কতোটা কী করা যাবে সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

একজন শিক্ষার্থীর সারা জীবনের বিচার, তার দশ/বারো বছরের লেখাপড়ার বিচার, সারা জীবনের জন্য এক বৃহৎ রায় ঘোষণা করা হয় এই পাবলিক পরীক্ষার মাধ্যমে। যেভাবে এটি করা হয় সেটি কোনোভাবেই সঠিক রায় নয়। সঠিক মূল্যায়ন নয়।

অনভিজ্ঞ ও নতুন একজন পরীক্ষক তো জানেনই না কীভাবে একটি উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে হয়। অথচ, একমাত্র তার রায়ের ওপর নির্ভর করছে একজন শিক্ষার্থীর পুরো জীবনের ফল, ইতিহাস, অ্যাকাডেমিক অর্জন, জীবনের ভবিষ্যত মোড়। কী করে এটি হতে পারে?

আমি কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজে কর্মরত থাকাকালীন একবার তুখোড় একব্যাচ এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কেউই ইংরেজিতে ‘লেটার মার্কস’ পায়নি। অথচ কলেজের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় সবাই লেটার মার্কস পেয়েছিলো। কারণ অবজেকটিভ অংশে সবাই পূর্ণ ৫০ নম্বরই পেয়েছিলো, আর  লিখিত ৫০-এর মধ্যে কেউই ৩০-এর নিচে  পায়নি। উল্লেখ্য, ক্যাডেট কলেজের ইন্টারনাল পরীক্ষার খাতা বেশ কঠিন করে দেখা হয়। 

বোর্ড পরীক্ষায় একজন ক্যাডেটও লেটার মার্কস পায়নি। পরে জানা গেল, বোর্ড পরীক্ষার খাতা গ্রামের কোনো এক শিক্ষকের কাছে পড়েছিলো। তিনি কী করেছেন কেন করেছেন জানার সাধ্য ছিলো না, শুধু দেখা গেল ইংরেজিতে কেউই লেটার মার্কস পায়নি। ওই সময়ে একটু ভালো শিক্ষার্থীরা অবজেকটিভ থাকার কারণে প্রায় সবাই লেটার মার্কস পেতো।

নীতিমালা অনুযায়ী প্রধান পরীক্ষক হওয়ার জন্য দশ বছরের এবং পরীক্ষক হওয়ার জন্য পাঁচ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। এসব নিয়ম অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মানা হয় না। প্রতিষ্ঠান-প্রধান সম্মতি দিলেই পরীক্ষক হয়ে যাচ্ছেন সব ধরনের শিক্ষক

জুনিয়র সেকশনের শিক্ষক পরীক্ষক হচ্ছেন সিনিয়র সেকশনের। কলেজের শিক্ষকও স্কুলের খাতা দেখছেন। আমি দেখেছি, কলেজের শিক্ষক মাদ্রাসার খাতাও পরীক্ষা করছেন। কোনো একজন শিক্ষক যদি স্বল্পসময়ের জন্য হলেও একটি বিষয় পড়ান, তিনি ওই বিষয়ের পরীক্ষক হয়ে যান। এভাবে এক বিষয়ের শিক্ষক অন্য বিষয়ের পরীক্ষক হচ্ছেন।

মাধ্যমিক পর্যায়ে তো বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকই নেই। এই সুযোগটি আরও কাজে লাগানো হচ্ছে। অনেকে তদবির করে পরীক্ষক হন। প্রধান পরীক্ষকদের শতকরা দশটি খাতা পুর্নমূল্যায়ন বা চেক করার কথা কিন্তু কাজটি অনেকেই করেন না। শুধু খাতায় সই করেই তাঁরা খালাস।

বোর্ডের খাতা পরীক্ষণে  কিছু পরিবর্তন আনতেই হবে। প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিক মূল্যায়নকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়ার চাপও কমে যাবে, শিক্ষার্থীরা বিষয়ের গভীরে যেতে পারবে এবং এই ধারাবাহিকের ফল বোর্ডেও প্রেরণ করতে হবে। এতে একজন শিক্ষার্থীর হঠাৎ কোনো পরিবর্তন বা বিপর্যয় সহজেই ধরা পড়বে। এটি করা হলে শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো ক্লাসও করবে এবং এই মূল্যায়নটি গুরুত্ব পাবে।

দ্বিতীয় আরেকটি বিষয়ে জোর দিতে হবে। সেটি হচ্ছে, বোর্ডের খাতা পরীক্ষণ কোনোভাবেই একজন শিক্ষকের দ্বারা করানো যাবে না। তিনজন হলে ভালো হয়, সম্ভব না হলে অন্তত দুজন পরীক্ষক একটি উত্তরপত্র পৃথকভাবে মূল্যায়ন করবেন। কারুর নম্বর কেউ জানবেন না। দু’জন বা তিনজনের নম্বর গড় করে ফল তৈরি করতে হবে।


বোর্ডের খাতা পরীক্ষণ কোনোভাবেই একজন শিক্ষকের দ্বারা করানো যাবে না। তিনজন হলে ভালো হয়, সম্ভব না হলে অন্তত দুজন পরীক্ষক একটি উত্তরপত্র পৃথকভাবে মূল্যায়ন করবেন। কারুর নম্বর কেউ জানবেন না। দু’জন বা তিনজনের নম্বর গড় করে ফল তৈরি করতে হবে।


এটি করা হলে বর্তমান পরিস্থিতিতে যে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর খাতা পুর্নমূল্যায়নের দরখাস্ত জমা পড়ে, অথচ তাদের খাতাও পুর্নমুল্যায়ন করা হয় না সেই অনৈতিক দিকটিকে এড়ানো যাবে। লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীকে এভাবে আর ঠকাতে হবে না। বোর্ড পরীক্ষার প্রতি মানুষের আস্থা ফিরে আসবে, আস্থা বেড়ে যাবে। পরীক্ষর ফল নিয়ে আর খুব একটা প্রশ্ন থাকবে না যেটি এখন আছে । শিক্ষার্থীরাও পড়াশুনায় মনোযোগ দিবে। তারা শুধু পরীক্ষার্থী হবে না, হবে প্রকৃত শিক্ষার্থী।

খাতা পরীক্ষণে আরেকটি সমস্যা হয়, অনেক ভালো প্রতিষ্ঠানের বিশেষ করে শহরের ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানের অনেক শিক্ষক পরীক্ষক হওয়ার মতো কষ্ট করতে চান না। কারণ অর্থই তাঁদের কাছে বড় কথা। তাঁরা বোর্ডের খাতা দেখে সময় নষ্ট করার চেয়ে দু’ব্যাচ শিক্ষার্থী পড়িয়ে অনেক বেশি উপার্জন করতে পারেন। তাই বছর দু’য়েক আগে বোর্ড নিয়ম করেছিলো যে, নামকরা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বোর্ডের খাতা অবশ্যই দেখতে হবে। জানি না কতোটা কার্যকর হয়েছে।

বোর্ড কর্তৃপক্ষ যতো তাড়াতাড়ি ফল ঘোষণা করতে পারে, ততোই মঙ্গল। আগে বোর্ডের ফল প্রকাশ করতে কমপক্ষে তিন মাস সময় নিতো। এখন সেটি দু’মাসেরও নিচে নেমে এসেছে এবং এজন্য তারা কৃতিত্বও নিচ্ছেন। কিন্তু প্রকৃত মুল্যায়ন কি হচ্ছে?

মাছুম বিল্লাহ: শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও গবেষক। বর্তমানে ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচিতে কর্মরত।

লেখক সম্পর্কে

গৌতম রায়

গৌতম রায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

মন্তব্য লিখুন