শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা

সংবাদপত্রের শিক্ষাপাতা কতোটুকু প্রয়োজনীয়?

শিক্ষাপাতা
লিখেছেন গৌতম রায়

বাংলাদেশে প্রকাশিত কয়েকটি সংবাদপত্র বাদ দিলে বাকিগুলোর বিনোদন পাতা নিয়মিত অনুসরণ করলে স্পষ্ট হয়, সেগুলোয় পরিবেশিত খবর বেশ সামঞ্জস্যপূর্ণ। সংবাদপত্রের শিক্ষাপাতা এই দিক দিয়ে কতোটুকু কার্যকর?

কোনো শিল্পীর জীবনে পরিবর্তন আনয়নকারী নতুন ঘটনা অবশ্যই সংবাদ হওয়ার যোগ্য। তবে তথ্য, সংবাদ ও বিজ্ঞাপনের মাঝে যে মোটাদাগের পার্থক্য রয়েছে, সেটি আমাদের অনেক পত্রপত্রিকায়ই অনুপস্থিত।

নিছক আনন্দপ্রদান বিনোদনমূলক সংবাদ পরিবেশের অন্যতম উদ্দেশ্য হতে পারে। তবু তার সঙ্গে সাংস্কৃতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্নটি থেকে যায়— বিশেষত জনগণের বিনোদন-রুচি গঠনের বেলায়। নইলে ওই ধরনের সংবাদ অন্যের অদক্ষ অনুকরণের হাস্যকর প্রমাণ হিসেবে দাঁড়িয়ে যেতে পারে।

দেশের সব কয়টি দৈনিক শিক্ষা-বিষয়ক পাতা বা শিক্ষাপাতা বের করে না। যারা বের করে, তাদের সবাই নিয়মিতভাবেও বের করে না। তবুও যারা পাতাটি বের করে, সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়বস্তু হওয়া সত্ত্বেও বিনোদন পাতার সঙ্গে এই পাতাটির একটি তুলনা করা যায়।

এই তুলনার ভিত্তি অবশ্যই উভয় পাতার মানকেন্দ্রিক। যেহেতু স্থানীয় পত্রপত্রিকার শিক্ষাপাতায় স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ের উপাদান খুব কমই থাকে, তাই প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের উপাদানগুলো নিয়ে আলোচনা করা যাক।


দেশের সব কয়টি দৈনিক শিক্ষা-বিষয়ক পাতা বা শিক্ষাপাতা বের করে না। যারা বের করে, তাদের সবাই নিয়মিতভাবেও বের করে না। তবুও যারা পাতাটি বের করে, সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়বস্তু হওয়া সত্ত্বেও বিনোদন পাতার সঙ্গে এই পাতাটির একটি তুলনা করা যায়।


সঙ্গে উচ্চশিক্ষার ভর্তি, শিক্ষাবিষয়ক বিজ্ঞাপন ও বিজ্ঞপ্তিও থাকছে প্রাসঙ্গিক বিবেচনায়। এ নিবন্ধে গণিত ও ইংরেজি শিক্ষামূলক অনুশীলনের উল্লেখও থাকবে। কেননা স্থানীয় শিক্ষার্থীদের এ দুটি বিষয়ে প্রভূত দুর্বলতা দেখা যায়।

মজার বিষয়, প্রাথমিক শিক্ষার বিশেষত চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের অনুশীলনে তথ্য মুখস্থের ওপর জোর দেয়া হচ্ছে বেশি। এগুলোর বেশিরভাগই আবার কম-দরকারি তথ্য। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, সোমপুর বিহার কোথায় অবস্থিত ও এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস কী, তার বদলে শেখানো হচ্ছে এতে কয়টি কুঠুরি আছে।

সোমপুর বিহারের কয়টি কুঠুরি আছে, সেগুলো কোন কাজে ব্যবহৃত হতো তা প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার আকর্ষণ হতে পারে। কিন্তু যে শিশুটি বরগুনা, পটুয়াখালীর মতো দূরবর্তী অঞ্চল থেকে পত্রিকার শিক্ষাপাতা পড়ে, তার বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নয়নে এ তথ্যের প্রকৃত গুরুত্ব কত তা নিয়ে সন্দেহ রয়েই যায়।

সমস্যা রয়েছে নির্দেশনামূলক উত্তর নিয়েও। বাংলার এক প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে, অমুক ব্যক্তির ইচ্ছা কী ছিল? উত্তরে প্রথমে লেখা হয়েছে তার জন্মস্থান, তার পর বাবা-মার নাম ও ভাইবোনের সংখ্যা। শেষে রয়েছে ওই ব্যক্তির ইচ্ছার কথা। এ ধরনের অতিরঞ্জন প্রায় সর্বত্রই লক্ষ্যণীয়।

এদিকে উত্তর লেখায় উৎসাহ প্রদানে পত্রিকার শিক্ষাপাতা কিন্তু বড় ভূমিকা রাখতে পারে। প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের অনুশীলন আকর্ষণীয় হওয়া উচিৎ; তাতে অভিনবত্ব থাকলে ভালো। প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টারের মতো গুটিকয়েক পত্রিকা বাদে অধিকাংশই হয় এ বিষয়ে উদাসীন; নয়তো এখানে বাড়তি বিনিয়োগে অনাগ্রহী।

বয়ঃসন্ধির আবেগের সঙ্গে বিজ্ঞানের প্রতি কৌতূহল যুক্ত করার মোক্ষম সময় হলো মাধ্যমিক পর্যায়। অত্যন্ত দুঃখজনক, পত্রপত্রিকার শিক্ষা অনুশীলনে অন্যান্যগুলোর সঙ্গে এ বিষয়েও রয়েছে ব্যাপক ঘাটতি। সৃজনশীল পদ্ধতির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অভ্যস্ত করে তোলার সময়ও এটিই।

অথচ সেদিন এক শিক্ষাপাতায় সৃজনশীল নৈর্বক্তিক অনুশীলনে দেখলাম সিডরে ফসলের ক্ষতি কতটা হয়েছিল, তা ফোকাস করে শেখানো হচ্ছে। অবশ্যই শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল মেধাবিকাশের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য হতে পারে ‘সিডর’। কিন্তু সিডরে ফসলের ক্ষতির প্রকৃত সংখ্যা কীভাবে সৃজনশীল প্রশ্ন হয়, তা ঠিক বোধগম্য নয়।

শিক্ষাপাতার আরেক দুর্বলতা, দুই সংখ্যায় অনুচ্ছেদ পড়ানোর পর প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হচ্ছে তৃতীয় সংখ্যায় গিয়ে। শিক্ষার্থী যদি কোনো কারণে মাঝের একটি সংখ্যা সংগ্রহ করতে না পারে? কিংবা কোনো শিক্ষার্থীর কাছে যদি শুধু তৃতীয় সংখ্যাটিই আসে?

এখানে পাতায় স্থানধারণ সম্পর্কিত সমস্যা থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে অন্যত্র ছাড় দিয়ে কিংবা ছোট অনুচ্ছেদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠদানই অধিক যুক্তিযুক্ত বলে মনে হয়। আবার মহাজনের হাতে অশিক্ষিত রহিম মিয়ার অপদস্থ হওয়ার কাহিনী বলে শিক্ষার্থীকে জনসংখ্যা বৃদ্ধিজনিত সমস্যার সৃজনশীল ভাবনা ভাবানোটাও কিন্তু কষ্টকর। এদিকে সুদৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন।

আমাদের মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই মূলত উত্তরপত্রে উক্তি উল্লেখের জোয়ার শুরু হয়। বুঝুক আর নাই বুঝুক, শিক্ষক-অভিভাবক-নোট বই-পত্রিকার শিক্ষাপাতার প্রণোদনায় একটু বুদ্ধিমান শিক্ষার্থীরা দু’হাতে উদ্ধৃত করে উক্তি।


এক শিক্ষাপাতায় দেখলাম, রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞায় জোসেফ শুম্পিটারের উক্তি দেয়া হয়েছে। প্রশ্ন হলো, রাজনৈতিক দলের  সংজ্ঞা বুঝতে গিয়ে কেন সাধারণভাবে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের কাছে শুম্পিটারের বক্তব্য আশা করা হবে? আবার প্রায়ই প্রশ্নের নিচেই উত্তর দিয়ে নির্দেশনা দেয়া হয় পরে অনুশীলন করে নেয়ার। শিক্ষার্থী কি তাহলে চোখ বুজে শিক্ষাপাতা পড়ে সব বুঝে নেবে?


এক শিক্ষাপাতায় দেখলাম, রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞায় জোসেফ শুম্পিটারের উক্তি দেয়া হয়েছে। প্রশ্ন হলো, রাজনৈতিক দলের  সংজ্ঞা বুঝতে গিয়ে কেন সাধারণভাবে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের কাছে শুম্পিটারের বক্তব্য আশা করা হবে? আবার প্রায়ই প্রশ্নের নিচেই উত্তর দিয়ে নির্দেশনা দেয়া হয় পরে অনুশীলন করে নেয়ার। শিক্ষার্থী কি তাহলে চোখ বুজে শিক্ষাপাতা পড়ে সব বুঝে নেবে?

শিক্ষাপাতায় উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের আলোচ্য অনেকটাই টিপস, শর্ট সাজেসনসে ভরপুর। সেগুলোর অধিকাংশের লক্ষ্যই হলো পাঠক তথা শিক্ষার্থীকে অধিক নম্বর পাইয়ে দেয়া। এক্ষেত্রে অধিকাংশ শিক্ষাপাতা প্রতিশ্রুতিশীল নয়। তবে দু’একটি পত্রিকার আলোচনা-অনুশীলন মোটামুটি মানসম্পন্ন।

লক্ষ্যণীয়, বড় পত্রিকাগুলোর শিক্ষাপাতায় প্রায়ই লেখানো হয় খ্যাতনামা শিক্ষকদের দিয়ে; যেটি অপেক্ষাকৃত কম চালু পত্রিকার পক্ষে করা সম্ভব হয় না। শিক্ষাপাতাগুলোর মান পার্থক্যের জন্য এ কারণটি কম দায়ী নয়।

আরেকটি বিষয়, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের মাঝে ভারসাম্যহীনতা অতীতে ব্যাপক ছিল। নতুন জাতীয় শিক্ষা নীতি বাস্তবায়নের পর সেটি অনেকাংশে কমেছে। এখন যতটা ভারসাম্যহীনতা রয়েছে সেটি আরো কমিয়ে আনায় দৃষ্টি দিতে হবে।

সেজন্য চিহ্নিতপূর্বক দূর করতে হবে পাঠ্যসূচির জটিলতা। দেশে পর্যাপ্ত দক্ষ শিক্ষক নেই। এখানে বৃহত্তর ভূমিকা পালনের সুযোগ রয়েছে শিক্ষাপাতার। সে লক্ষ্যে পাতাটিতে পরিবেশিত স্ববিরোধী ও অতিরঞ্জিত উপাদানের সতর্ক অপসারণ কাম্য।

শিক্ষাপাতার উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষাসহ নানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি। সেখানে থেকে কতোটা প্রশ্ন কমন পড়ে কিংবা আদৌ কোনো প্রশ্ন কমন পড়ে কিনা, তা ভিন্ন প্রসঙ্গ। তবে বলতে হবে, পাঠক শিক্ষার্থীর অনেকেই এতে নিয়মিতভাবে চোখ বুলিয়ে নেন।  এখানে ‘বেতমিজ’ কোন তৎপুরুষ সমাজ?-এর মতো বানান ভুল প্রচুর। তবে বেশি সমস্যা সঠিক উত্তর নির্ণয় নিয়ে। বোঝা যায়, প্রশ্ন খুঁজে পেলেও উত্তর আবিষ্কারে তেমন সুবিধা করতে পারেনি তারা।

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ও সাধারণ জ্ঞানে সাধারণত জোর দেয়া হয় বেশি। ইংরেজি ও গণিতের অনুশীলন থাকলেও সেগুলো কতোটা কার্যকর সন্দেহ আছে। আবার শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ওপর ফোকাস না রেখে এক্ষেত্রে কারিগরি বিষয়াদির ওপরও কিছুটা আলো ফেলা প্রয়োজন।

দেশে ইংরেজি শিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হচ্ছে না। তার অন্যতম প্রধান কারণ ভালো শিক্ষকের পভাব। শিক্ষাপাতায় এ চিত্র পরিস্ফুট বলা যায়। দেখা যাচ্ছে, সাধারণ প্রতিষ্ঠানের ইংরেজি শিক্ষা তেমন আকর্ষণীয় নয়। এক্ষেত্রে নামীদামি প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত কম-বেশি একই অবস্থা। তারা পাতায় সেই গৎবাঁধা অনুচ্ছেদ তুলে বিভিন্ন প্রশ্নে শিক্ষার্থীর মনোযোগ আকর্ষণের স্থায়ী আহ্বান দিয়েই রেখেছেন।

অনেকে আশা করছেন, আগামী সংখ্যায় শিক্ষার্থী উত্তরটা মিলিয়ে নিতে পারবে। অথচ বিশেষত বাক্য পুনর্গঠনের মতো প্রশ্নে যে একই সংখ্যায় উত্তর থাকা বাঞ্ছনীয় সেদিকে দৃষ্টি কমই। এদিক থেকে শিক্ষাপাতায় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষকদের পারফরম্যান্স লক্ষ্যণীয়ভাবে উন্নত। তাঁরা কার্টুন, উক্তি দিয়ে বিষয়বস্তুর সঙ্গে পাঠকের মনঃসংযোগের চেষ্টা করেন, যেটি বেশ কার্যকর। তাছাড়া আকর্ষণ বাড়াতে কুইজ আয়োজনের মতো কর্মসূচিও আছে কোনো কোনো প্রোগ্রামের (বিবিসি জানালা)। এখান থেকে অন্যদের শিক্ষা নেয়া উচিত।

সার্বিকভাবে শিক্ষাপাতায় গণিতের পাঠদান কোনোমতে কাজ চালিয়ে নেওয়ার মতো। নোট বইয়ের তুলনায় এর মান কতোটা উন্নত তা বিচার-বিশ্লেষণের বিষয়। সেখানে সূত্র লিখে অঙ্ক কষেই ধারণা রাখা হয় যে, শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। বেশি জটিল অঙ্ক তাতে খুব একটা দেখা যায় না; কয়েক ধাপে কষার অঙ্ক আরও বিরল। শিক্ষার্থীদের গাণিতিক বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়াতে চাইলে এর প্রতি নজর দেয়া প্রয়োজন।


শিক্ষাপাতা কিন্তু শুধু শিক্ষার্থীতে কেন্দ্র করে, কিন্তু এটি শিক্ষকদের পাতাও হওয়ার কথা। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের দেশে সেটি এখনো দেখা যাচ্ছে না। অথচ শিক্ষাপাতায় শিক্ষকদের জন্য পরামর্শ রাখা গেলে তাতে শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হতো; শ্রেণীকক্ষে পাঠদানে সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতা বাড়ত।


শিক্ষাসংক্রান্ত খবরের মাঝে শিক্ষাপাতায় বৃক্ষরোপণ এবং মোড়ক ও ফলক উন্মোচনই প্রধান। শিক্ষাপাতা কিন্তু শুধু শিক্ষার্থীতে কেন্দ্র করে, কিন্তু এটি শিক্ষকদের পাতাও হওয়ার কথা। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের দেশে সেটি এখনো দেখা যাচ্ছে না। অথচ শিক্ষাপাতায় শিক্ষকদের জন্য পরামর্শ রাখা গেলে তাতে শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হতো; শ্রেণীকক্ষে পাঠদানে সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতা বাড়ত।

আরেকটি বিষয়, শিক্ষাপাতায় গুরুত্বানুযায়ী নোটিশ ও বিজ্ঞাপনের পার্থক্য বজায় রাখা। কিছু জরুরি নোটিশ বিজ্ঞাপন আকারেই বাজারে আসে। বাণিজ্যিক বিবেচনায় কিছু পত্রিকা তা ছাপায়; আবার কেউ কেউ ছাপায় না। অথচ জরুরি শিক্ষা খবর থেকে একটু দূরেই রাখা উচিৎ আর্থিক লাভ-ক্ষতিকে।

অনেক সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও এ কথা বলা যাবে না, আমাদের শিক্ষাপাতাগুলোয় কিছুই হচ্ছে না। অনেক ইতিবাচক বিষয়ই কিন্তু বলা যায় নিয়মিতভাবে ক্রমে উঠে আসছে। তবু পরিস্থিতি সন্তোষজনক নয়। এ থেকে উত্তরণে সংশ্লিষ্ট পাতার দায়িত্বপ্রাপ্তদের পাশাপাশি সম্পাদকীয় নীতি নিয়ন্ত্রণকারীদেরও সঠিকভাবে উদ্বুদ্ধ করা দরকার।

জায়েদ ইবনে আবুল ফজল: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর। বর্তমানে উপজেলা নির্বাচন অফিসার হিসেবে দিনাজপুর সদরে কর্মরত। সাংবাদিক হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে দৈনিক বণিক বার্তাদৈনিক সমকাল-এ। ইংরেজি ভাষায় একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রামাণ্য চলচ্চিত্র হয়েছে তার পরিচালনায় ‘হান্টিং পাস্ট’। প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা তিন: ‘ম্যানেজমেন্ট সিক্রেটস’, ‘অপ্রকাশিত স্টিভ জবস’ এবং ‘ব্যাকবেঞ্চারস: সফল যারা’।

লেখক সম্পর্কে

গৌতম রায়

গৌতম রায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

মন্তব্য লিখুন