বাড়িপরীক্ষা ও মূল্যায়ন ব্যবস্থাশিশু শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া: লটারি নাকি ভর্তি পরীক্ষা?

শিশু শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া: লটারি নাকি ভর্তি পরীক্ষা?

লটারি নাকি ভর্তি পরীক্ষা? কেজিতে নয়ই, প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো ভর্তি পরীক্ষা থাকা উচিত নয়! এটি প্রতিটি শিশুর জন্মগত অধিকার। যে সমাজে সে জন্মগ্রহণ করেছে, সেই সমাজ তাকে কোনো ধরনের মানসিক চাপে না ফেলে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করে দিবে, এটি সমাজের কাছে তার বৈধ পাওনা।

এখানে পরীক্ষা নামক বিষয় যোগ করার প্রশ্নই আসে না। তবে, চতুর্থ শ্রেণি থেকে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া একেবারে অযৌক্তিক নয়, সেখানে প্রশ্ন হতে হবে শ্রেণি উপযোগী ও যৌক্তিক। ভর্তি পরীক্ষা হলে শিক্ষার্থীরা কিছুটা পড়াশোনা করে এবং অভিভাবকরাও পড়াশোনার বিষয়ে কিছুট সচেতন হন। 

প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত সকল অভিভাবকদের তাদের নিকটস্থ বিদ্যালয়ে ভর্তি করানোর জন্য চিন্তা করতে হবে। তারা যদি তথাকথিত নামকরা বিদ্যালয়ে ভর্তির পেছনে ছোটেন, তাহলে সরকার কিংবা অন্য কারোরই কিছু করার নেই।

কোনো সমস্যা হলেই আমরা সরকারকে দায়ী করি, সরকারের ওপর সব চাপিয়ে দিই কিংবা সরকারকে মুহূর্তের মধ্যেই সব পরিবর্তন করতে বলি যা যুগ যুগ ধরে হয়নি। সবাই সুপারিশের ফিরিস্তি তুলে ধরি, সরকারকে এটা করতে হবে, সেটা করতে হবে; কিন্তু কী দিয়ে, কীভাবে এবং এত অল্প সময়ে করা যে সম্ভব নয় সেগুলো আমরা কখনও চিন্তা করি না।

শিশুদের ভর্তির ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে বড় বড় শহরগুলোতে। কারণ নামকরা দু’চারটি প্রতিষ্ঠানে সকল অভিভাবক তাদের সন্তানদের ভর্তি করাতে চান। তারা ভর্তির জন্য সব ধরনের পদ্ধতিই অবলম্বন করেন (অর্থ, প্রতিপত্তি, রাজনৈতিক প্রভাব, কোচিং ইত্যাদি)। অথচ সরকারি ও বেসরকারি বহু বিদ্যালয় আছে যেগুলোতে শিক্ষার্থী পাওয়া যায় না।

সরকারিগুলোতে সমস্যা নেই, কিন্তু বেসরকারিগুলোতে শিক্ষার্থীর অভাবে কর্তৃপক্ষ শিক্ষকদের ঠিকমতো বেতনও নিতে পারেন না। তাই, আওয়ামী সরকারের আমলে এই লটারি পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়, কারণ নিজের পার্টির লোকজনকেও ম্যানেজ করা যেতো না, সবাই তথাকথিত ভালো বিদ্যালয়ে সন্তানদের ভর্তি করাবেন।

আমাদের ছোট-বড় প্রতিটি শহর জ্যামের শহর! সেই জ্যাম ঠেলে সকালবেলা সবাই ছোটেন বাচ্চাদের নিয়ে। এই বয়সে শিশুদের বাসার কাছে ফুলবাগানের মতো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খেলাধুলা, আমোদফুর্তি করা আর বয়স উপযোগী সহজ কিছু বিষয় শেখার কথা এবং এর মাধ্যমে সামাজিকতা ও বন্ধুত্ব ইত্যাদি শেখার প্রথম ধাপ।

অথচ অভিভাবকগণ তাদেরকে মহাপ্রতিযোগিতার মধ্যে ফেলে তাদের শারীরিক-মানসিক কষ্টের বিনিময়ে, সমাজের উঁচু শ্রেণি, নিচু শ্রেণি, অর্থ-বিত্ত ইত্যাদির সাথে পরিচয় করানোর জন্য ব্যস্ত, মহাব্যস্ত। আর যখন সমস্যা হয়, তখন সব সরকারের ওপর চাপিয়ে দেয়ার প্রবণতা দেখা যায়। 

নামকরা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতেই হবে। সরকার আইন করতে পারে কিন্তু সেটির প্রয়োগের ক্ষেত্রে নাগরিকদের নিজস্ব গতিপথ রয়েছে। সরকার প্রয়োগ করতে গেলে সেটি অনেক সময়ই ব্যক্তিস্বাধীনতার বিপক্ষে এমনকি বলপ্রয়োগের পর্যায়ে চলে যায়। কাজেই সব সমস্যা সরকারকে দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করতে গেলে সমস্যা হবেই। 

অনেক অভিভাবক আছেন, তাদের সন্তানকে তথাকথিত ভালো বিদ্যালয়ে পড়ানোর জন্য সাত-সমুদ্র পাড়ি দিয়ে শিশুদের সেখানে নিয়ে যান শুধু ভালো পড়ালেখার জন্যই নয়, নিজেদের মান-সম্মানের কথা চিন্তা করে, প্রেস্টিজের কথা চিন্তা করে। এখানে সরকারের কিছু করার নেই। সিদ্ধান্ত অভিভাবকদের নিতে হবে, সরকার শুধু কাজটি করতে উৎসাহ প্রদান করতে পারে।

স্থানীয় বিদ্যালয়গুলো সবই হয়তো সেই মানের নেই, কিন্তু যখন অভিভাবকগণ তাদের শিশু-সন্তানদের ভর্তি করবেন, তখন নিকটস্থ বিদ্যালয়গুলোর অবস্থা কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না থাকলেও তারা ভালো করার চেষ্টা করবে। বিদ্যালয়গুলো সামাজিক প্রতিষ্ঠান। এগুলো ভালো করার দায়িত্ব অভিভাবকদের এবং সমাজেরও। এটি করা হলে লটারি আর ভর্তি পরীক্ষার কোনো প্রশ্ন থাকবে না, শিশুরা তাদের ওপর মানসিক অত্যাচার থেকে বেঁচে যাবে।

আমাদের সরকারি-বেসরকারি কোনো ধরনের প্রতিষ্ঠানই জনসংখ্যা অনুপাতে নেই। এগুলো সুষমভাবে এলাকাভিত্তিক গড়ে ওঠেনি। এটিও একটি বাস্তবতা। যেগুলো আছে সেগুলোকে মানে তোলার দায়িত্ব নাগরিকদেরও। কারণ সরকারের একার পক্ষে এতসব ম্যানেজ করা সম্ভব নয়।

অভিভাবকদের অসুস্থ প্রতিযোগিতার ফলে তথাকথিত নামিদামি বিদ্যালয়ে দ্বিতীয়-তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হতে যেসব অবাক করা প্রশ্ন আসে সেগুলো অযৌক্তিক এবং কোনো মেধাযাচাইয়ের পরীক্ষা হয় না।

যেমন, ঢাকার একটি বিখ্যাত স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন এসেছিলো, “বাংলাদেশে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার পথচলা কবে থেকে শুরু হয় এবং উপকারিতা কী?” এ-প্রশ্ন বিসিএসকেও ছাড়িয়ে যায়। অভিভাবক যখন এসব স্কুলে সন্তান ভর্তির জন্য পাগলপ্রায়, তখন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও এ-ধরনের আজেবাজে প্রশ্ন ভর্তি পরীক্ষায় দিয়ে থাকে আর মাঝখানে শিশুদের কোচিং করানোর জন্য আরেকটি শ্রেণি গড়ে উঠে। এটিই স্বাভাবিক।

আমার স্পষ্ট মনে আছে, আমার কন্যা শিশুশ্রেণিতে ভর্তির সময় তার মা অন্যান্য অভিভাবকদের কাছ থেকে ভিকারুন্নেছা স্কুলে ভর্তি করানোর কয়েকটি কোচিং-এর ঠিকানা নিয়ে এসেছিলেন। আমি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখলাম কোচিং-এ পড়ানো হচ্ছে আফ্রিকার কিছু দেশের মুদ্রার নাম, রাজধানীর নাম, এসব দেশের সরকার ব্যবস্থা, কঠিন কঠিন ব্যাকরণ ইত্যাদি।

শুধু তাই নয়, এসব কোচিঙে ভর্তি হওয়া আরেক কসরত। যেন বুয়েটে ভর্তির কোচিং! আর অর্থদণ্ড তো আছেই। আমি এসব বাদ দিতে বললাম। বাদ দিয়ে মেয়েকে একটি ইংলিশ মিডিয়ামে ভর্তি করলাম কারণ সেখানে কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেই, অতএব ভর্তির কোচিংও নেই।

আমাদের শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন “শিক্ষায় লটরি, এটা তো জুয়া খেলা, এটা কীভাবে সিস্টেম হতে পারে? কাজেই আমরা লটারি পদ্ধতি প্রত্যাহার করলাম। দ্যাটস ইট। লটারি কোনো শিক্ষাব্যবস্থায় থাকতে পারেনা। সেটি শিক্ষার কোনো মানদণ্ড হতে পারেনা। লটারি ইস নট সলিউশন। ক্লাস ওয়ানে মেধা যাচাইয়ের প্রশ্ন আসে না। খুবই সিম্পল ওয়েতে পরীক্ষা নিবো। ক্লাস ওয়ানে আমরা নিউরোসার্জন বানানোর চেষ্টা করবো না। কেউ কোচিং বাণিজ্য করতে চাইলে সরকার বসে থাকবে না। সরকার ইনহাউজ কোচিংয়ের ব্যবস্থা করবে।’’

মন্ত্রী মহোদয়ের কথাগুলোর সাথে আমি একমত, তবে খুব সিম্পল ওয়েতে পরীক্ষা নিবো এবং কোচিং বাণিজ্য করতে চাইলে সরকার বসে থাকবে না, সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবক্ষেত্র পর্যন্ত যেতে যেতে মূল মেসেজের সামান্য অবিকল অবস্থায় থাকে। এটি যারা বাস্তবায়ন করেন বা করবেন, তারা দুর্নীতির আশ্রয় নেন যা সরকারের পক্ষে এত মাইক্রোলেভেলে পৌঁছে ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয় না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কামরুল হাসান মামুন বলেছেন, “যারা ভর্তি পরীক্ষা চায় তারা কোচিং ব্যবসা চায়। আর কারা কোচিং ব্যবসা দিয়ে রাজনীতি করে আমরা জানি। যারা লটারি চায় তারা সব স্কুল কলেজকে এক মানের করতে ব্যর্থতা ঢাকতে ধান্দাবাজি করে। সমস্যার কারণ মেরামত না করলে লটারি থাকবে না ভর্তি কোচিং থাকবে এই বিতর্ক থাকবেই। লটারি ও ভর্তি কোচিং কোনটিই থাকা উচিত না। বিশেষ করে প্রাথমিক স্কুলে বা প্রাথমিক ক্লাসে মেধাবী ট্যাগ দেওয়া অসভ্যতা।’’

মামুন স্যারের কথাগুলোও মূল্যবান। তবে, সরকারকে একটি পথ বাতলে দিতে হবে। ঢালাওভাবে শুধু বললে সেটি অনেকটা দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার মতো মনে হয়।

কেউ কেউ আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়ার কথা বলেছেন যে, এন্ট্রি লেভেলে ভর্তি পরীক্ষা হয় না। ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াও অনেকে প্রায়ই উন্নত বিশ্বের, কেউ কেউ শ্রীলংকার উদাহরণ দিয়ে থাকেন। এটি রেফারেন্স হিসেবে শোনা যায় বা তুলনা করা যায়, কিন্তু এক দেশের সাথে আরেক দেশের শিক্ষা, অর্থনীতি, জনসংখ্যা ইত্যাদি বিবেচনায় অনেক কিছুই মেলে না।

যেমন শ্রীলংকার মোট জনসংখ্যই দেড় কোটির উপর। আর আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারই প্রায় পাঁচ কোটির মতো। অর্থাৎ পুরো শ্রীলংকার সরকার চালাতে যে প্রশাসন প্রয়োজন, আমাদের শুধু প্রাথমিক শিক্ষার প্রশাসন তার দ্বিগুণ বা তিনগুণ হওয়া প্রয়োজন।

তাই শিক্ষাক্ষেত্রে শ্রীলংকার উদাহরন টানেন অনেকে, তারা পারলে আমরা পারবোনা কেনো, এই ধরনের কথা বলেন। আবার আমেরিকা অষ্ট্রেলিয়ার সাথে আমাদের কোনোদিকে দিয়েই কোনো তুলনা চলেনা, সেখানেও আমরা বলি তারা পারলে আমরা কেনো পারবো না?

আমাদের চিন্তা আমাদের মতোই করতে হবে। তারপরেও আমরা জানি যে, যুক্তরাষ্ট্রে চার্টার স্কুলগুলোতে যখন আবেদনকারী বেশি থাকে, তখন লটারির মাধ্যমে ভর্তি করা হয়। এটি অনেক ক্ষেত্রে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এমনকি ইউরোপের কিছু শহরে যখন বিদ্যালয়ে আবদেনাকরীর সংখ্যা আসনের চেয়ে বেশি হয়, তখন লটারি বা র‌্যান্ডম বাছাই পদ্ধতি দেখা যায়। এমন উদাহরণ ইংল্যান্ডের কিছু বিদ্যালয়ে রয়েছে, যেখানে প্রাথমিকভাবে লটারি ব্যবহৃত হয়েছে।

প্রাথমিকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের বয়স ৪ থেকে ৬ বছরের মধ্যে যখন শিশুরা কেবল তাদের মতো করে কথাবার্তা ও যোগাযোগ করতে শেখে। শিশুরা তখন প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ, পরিবার ও সমাজের সাথে পরিচিত হতে থাকে। তাদের জ্ঞান-বুদ্ধি এমন পর্যায়ে থাকে না যে, তাদের মেধা ও জানাশোনা পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই যোগ্য।

সেটা করা মানে শিশুদের প্রতি অবিচার ও অভিভাবকদের জন্য মানসিক চাপ সৃষ্টি করা। লটারি পদ্ধতির সুবিধা ছিলো এর স্বচছতা ও জবাবদিহিতা। লটারি পদ্ধতিতে সরকারের একজন প্রতিনিধি সশরীরে উপস্থিত থাকতেন। কেন্দ্রীয়ভাবে লটারি হওয়ার কারণে এখানো স্বজনপ্রীতি বা অর্থিক লেনদেনের সুযোগ ছিলো না বললেই চলে।

ফলে অভিভাবকরা একটি আস্থার জায়গায় ছিলেন এবং মেধাবী ও সাধারণ সকল শিক্ষার্থীই ভর্তির সমান সুযোগ পেতো। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যদি বাছাই করে সেরাদেরই ভর্তি করে তাহলে তাদের কৃতিত্ব কোথায়? সব ধরনের মেধার শিক্ষার্থীদের ভর্তি করে তাদের বিকশিত করার সুযোগ দেয়াই একটি প্রকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাজ।

শুধু সেরাদের নিয়ে শ্রেণি তৈরি করলে সমাজের শিক্ষার্থী ও অভিভাকদের মধ্যে এক ধরনের অহংবোধ ও বিভাজন তৈরি হয়, যার কারণে বর্তমানে শিশু ভর্তি প্রক্রিয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

এখানে আরেকটি বিষয় আমরা বেমালুম এড়িয়ে যাচ্ছি আর সেটি হচ্ছে, ভর্তি প্রক্রিয়ায় সমস্যা হচ্ছে শহর এলাকায় আর শহর শুধু বাংলাদেশ নয়। শহর এলকার সকল বিদ্যালয়েও ভর্তির তীব্র প্রতিযোগিতা নেই।

বাংলাদেশের হাজার হাজার গ্রাম, গ্রামীণ বিদ্যালয়গুলোর করুণ অবস্থা, শিক্ষার মানের দিক দিয়ে, শিক্ষার্থী সংখ্যার দিকে দিয়ে এবং অর্থনৈতিক দিক দিয়েও। শহরের মাত্র কয়েকটি বিদ্যালয়ে ভর্তির প্রক্রিয়া নিয়ে আমরা যখন এত এত আলোচনা করি তখন মনে হয়, গ্রামের বিদ্যালয় বিদ্যালয় নয়, গ্রামের শিক্ষার্থীরা শিক্ষার্থী নয়!

লেখক পরিচিতি

মাছুম বিল্লাহ

মাছুম বিল্লাহ বাংলাদেশে ইংলিশ টিচার্স অ্যাসেসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইট্যাব)-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি পূর্বে ক্যাডেট কলেজ ও রাজউক কলেজের শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন। কাজ করেছেন ব্র্যাকের শিক্ষা কর্মসূচিতে বিশেষজ্ঞ হিসেবে। তিনি ভাব বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবেও কর্মরত রয়েছেন। তিনি নিয়মিত শিক্ষাবিষয়ে নানা প্রবন্ধ লিখছেন।

আরও পড়ুন

প্রয়োজন সুস্থির, সুনির্দিষ্ট ও পরিকল্পনামাফিক শিক্ষাউন্নয়নের রূপরেখা

অপার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের শিক্ষা অনেকদিন ধরেই বেশ কিছু নির্দিষ্ট সমস্যার বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে। এসব সমস্যার কারণ হিসেবে...

মতামত

বিজ্ঞান চেতনা: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোন বিজ্ঞান শিখছে শিশুরা?

নাহিদ নলেজ বিজ্ঞান চেতনা নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা কী- এ সম্পর্কে বিস্তর কথাবার্তা আমাদের সবার জানা। সেই প্রাথমিক শিক্ষাটুকুই যদি গলদপূর্ণ হয়, তাহলে আর কী কথা...

দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আপনি কি সন্তুষ্ট?

মোঃ তৌফিক ইমাম চৌধুরী লিখেছেন বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে বর্তমানে শিক্ষাব্যবস্থা আছে তা নিয়ে কি আপনি পুরোপুরি সন্তুষ্ট? প্রাথমিক কিংবা নিম্নমাধ্যমিক শ্রেণীতে একজনকে অনেকগুলো বিষয়ে পড়তে...
নতুন লেখার খবর পান ইমেইলে
বাংলাদেশের শিক্ষা প্রসঙ্গে নতুন লেখা প্রকাশিত হলে সেই খবর পৌঁছে যাবে আপনার ইমেইলে।

এই বিভাগের আরও লেখা

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় : যেসব দিকে নজর দিতে হবে

দেশের ৬৯১টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসনে স্থবিরতা এবং অস্থিরতা নিরসন প্রয়োজন।...

সর্বজনীন পেনশনে নতুন সিদ্ধান্ত ও শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ

স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থায় আগামী জুলাই থেকে যোগ দেয়া চাকুরেদের সর্বজনীন পেনশনে...

ক্যাডেট কলেজে বর্ধিত টিউশন ফি মেধাবীদের পড়াশুনায় যেন বাধা হয়ে না দাঁড়ায়

ক্যাডেট কলেজ একটি বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সেখানে বর্ধিত টিউশন ফি কি মেধাবীদের পড়াশোনায় বাধা...

নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থী মূল্যায়ন ও পাবলিক পরীক্ষা নিয়ে অস্পষ্টতা

২০২৩ সালের জানুয়ারি মাস থেকে নতুন শিক্ষাক্রম চালুর পর থেকে এ নিয়ে আলোচনা ও...

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা : কয়েকটি জাদু অজানাই থেকে যাচ্ছে

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। লিখিত পরীক্ষা শেষ...

মানুষের দুর্নীতিবাজ হওয়ার পেছনে শিক্ষকের দায় কতটা?

দুর্নীতিতে বাংলাদেশ বেশ কয়েকবার পুরো বিশ্বে দখল করেছে শীর্ষস্থান! বাংলাদেশে বড় বড় প্রকল্পে বড়...

মুখস্থবিদ্যা কতোটুকু গুরুত্বপূর্ণ?

নতুন শিক্ষাক্রমের প্রবর্তকেরা এবং তার সমর্থকরা এর পক্ষে যুক্তি হিসেবে সবার আগে মুখস্থবিদ্যার ওপর...

নতুন শিক্ষাক্রম : জাপানের সাথে তুলনা কতোটুকু প্রাসঙ্গিক?

বাংলাদেশে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাব্যবস্থার নতুন শিক্ষাক্রমের আবশ্যিক বিষয় জীবন ও জীবিকার ষষ্ঠ ও সপ্তম...