প্রাথমিক শিক্ষা শিক্ষক ও শিক্ষা

প্রাথমিকে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগ: উত্তীর্ণদের কী হবে?

প্রাথমিকে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগ
প্রাথমিকে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগ

প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি দুর্বল হলে শিক্ষার পরবর্তী ধাপগুলো শক্তভাবে দাঁড়াতে পারে না। তার প্রমাণ আমরা অহরহ পাচ্ছি। প্রাথমিকে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাও তার একটি বড় প্রমাণ। সারাদেশের প্রায় ২৪ লাখ প্রার্থী প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে থেকে ৫৫,২৯৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, যা মোট প্রার্থীর মাত্র ২ দশমিক ৩ শতাংশ।

কেন তাঁরা পাস করতে পারেননি?

এসব প্রার্থীই কিন্তু দেশের সকল পাবলিক পরীক্ষায় অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে পাস করে এসেছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট নিয়ে এসেছিলেন। দেশে সকল পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার থাকে ৮০ শতাংশের ওপরে। এবারও এসএসসিতে পাসের হার ৮২.৮৭ শতাংশ। ইংরেজি ও গণিতের মতো কঠিন বিষয় দুটিতে অনেকেই অকৃতকার্য হয়ে থাকে। এবছর এসএসসি পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই দুই বিষয়েই পাসের হার শতভাগের কাছাকাছি।

তাহলে কি এই দুটি বিষয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা হঠাৎ করে দক্ষ হয়ে ওঠেছে? প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিশ্চয়ই এমন কোনো রকেট সায়েন্স নয় যেখানে মাত্র ২.৩ শতাংশ প্রার্থীকে পাস করতে হবে। প্রশ্ন আসে, তাহলে আমাদের বিদ্যালয়গুলো, শিক্ষা বোর্ড, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থীদের কী সার্টিফিকেট দিচ্ছে?

প্রাথমিকে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ

নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা জটিলতার কারণে দীর্ঘ চার বছর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ ছিলো। এটি আরেকটি বড় প্রমাণ যে, দেশের প্রাথমিক শিক্ষাকে রাষ্ট্রীয় তরফ থেকে কতোটা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এমনিতেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চরম শিক্ষক সংকট চলছে। তার ওপর চার বছরে কতো শিক্ষক অবসরে গিয়েছেন! অনেক নারী শিক্ষক মাতৃত্বজনিত ছুটিতে ছিলেন। অনেকে অসুস্থ ছিলেন। তাহলে এই বছরগুলোতে আমাদের শিশুরা কী শিখতে পেরেছে? বিদ্যালয়গুলোতে কয়টি ক্লাস হয়েছে? কয়দিন তারা বিদ্যালয়ে এসে ক্লাস করতে না পেরে বাড়িতে চলে গেছে? এসবের কোনো হিসাব বা খবর কেউ কি রাখেন?

এসব একাডেমিক বিষয় দেখার বা গুরুত্ব দেওয়ার মাঠ পর্যায়ে কেউ নেই। শিক্ষক কর্মকর্তা যারা থাকেন তাদের প্রশাসনিক কাজ রয়েছে। রয়েছে বদলি বিষয়ক অনেক গুরুত্বপূর্ণ (?) কাজ। কাজেই দিনের পর দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কী শেখানো হচ্ছে বা হচ্ছে না তা নিয়ে কারুর কোনো হা-হুতাশ নেই। অথচ এটি বিরাট একটি ইতিবাচক ও শক্তিশালী দিক যে, দেশে প্রায় ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সেখানকার শিক্ষকগণ রাষ্ট্রীয় তরফ থেকে বেতন পান। ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় সব বিদ্যালয়গুলোতে রয়েছে উন্মুক্ত খেলার মাঠ, বিদ্যালয় ভবন।

ক্ষতি শিক্ষার্থীদের

অথচ এগুলোকে অবজ্ঞা করে তার পাশেই এক বা দুই কক্ষ নিয়ে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার কিন্ডারগার্টেন টাইপ বিদ্যালয়। সেখানে শিক্ষার্থীদের হাফ ছাড়ার কোনো সুযোগ নেই, খেলাধুলার ব্যবস্থা নেই (ব্যতিক্রম ছাড়া)। অভিভাবকগণ, এমনকি সরকারি কর্মকার্তারাও তাদের শিশুদের ওইসব বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে থাকেন। কারণ, সেখানে ক্লাস হয়, সেখানে শিক্ষকদের জবাবদিহিতা রয়েছে। এভাবে অলিতে–গলিতে গড়ে উঠেছে এ-ধরনের বিদ্যালয় । এ-ধরনের বিদ্যালয়  মিলে আমাদের শিশুদের শিক্ষাদানের জন্য দেশে রয়েছে এক লক্ষ তেত্রিশ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রচুর হোমওয়ার্ক দেওয়া হয় বেসরকারি পর্যায়ে পরিচালিত এসব বিদ্যালয়গুলোতে যা  শিশুস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু অভিভাবকগণ কী করবেন? নিজেদের শিশুদের শিক্ষার দায়িত্ব নিজেরাই নিয়েছেন। যদিও এটি রাষ্ট্রের নেওয়ার কথা।

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের দীর্ঘসূত্রিতা

প্রাথমিকে আরও এক লাখ ৯৬৬টি শিক্ষক পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে ৬৮,৩৮৩টি লিভ রিজার্ভ শিক্ষক পদ, ২,৫৮৩টি শরীরচর্চা ও সঙ্গীত শিক্ষকের পদ এবং চাহিদাভিত্তিক ৩০ হাজার শিক্ষক পদ রয়েছে। ইতিমধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এক লাখ শিক্ষক পদ সৃজনের প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

প্রাথমিকে পদ সৃজন করা হয়, কিন্তু নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে লেগে যায় প্রায় দুই বছর। সারাদেশের প্রায় ২৪ লাখ প্রার্থী প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে থেকে ১৮ হাজারের বেশি প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রাথমিকের শিক্ষক হয়েছেন। বাকি ৩৭ হাজার প্রার্থীকে প্রাথমিকে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগ করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে নিয়োগের দাবি উঠেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, এই দাবি কতোটা যৌক্তিক। এর পক্ষে বিপক্ষে বহু কথা আছে।

শিক্ষক নেতাদের কাছে শুনেছি যে, মন্ত্রণালয় বলেছে উপযুক্ত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার জন্য তারা মৌখিক পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করবে না। অবশ্য, মৌখিক পরীক্ষায় নাকি খুব একটা অকৃতকার্য হন না। মানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানাই। প্রশ্ন হচ্ছে, নতুন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জনবল বাছাই করতে গিয়ে ২-৩ বছর সময় পার হয়ে যায়। ফলে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট থেকেই যায়। প্রতিবছর নতুন করে শিক্ষকগন পেনশনে যান, কেউ চাকরি ছেড়ে দেন ইত্যাদি কারণে এই গ্যাপ শুধু বাড়তেই থাকে। নারী শিক্ষকদের ছয়মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি, দুর্গম অঞ্চল ছেড়ে শিক্ষকদের শহরমুখী বদলির প্রবণতা, পিটিআই, ডিপিএডসহ প্রশিক্ষণ এবং বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় অফিসের কাজে প্রধান শিক্ষককে উপজেলা শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন দফতরে ব্যস্ত থাকতে হয়। ফলে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান দিন দিন ব্যাহত হচ্ছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা নানা কাজের চাপের মাঝে পাঠদান করে থাকেন। পাঠদান-বহির্ভূত অসংখ্য কাজ, শিক্ষক সংকট, নানা প্রকার কমিটির অহেতুক খবরদারির পাশাপাশি নানা সমস্যা জিইয়ে রেখে মানসিক অস্থিরতায় রাখা হয় শিক্ষকদের। যেমন, বিধিবহির্ভূত তিন বছরের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা চার বছর পরে দেওয়া, বেতন বৈষম্য, পদোন্নতি নিয়ে সময়ক্ষেপন ও প্রাথমিকের কর্মঘণ্টার বৈষম্য।

কেন প্রাথমিকে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগ প্রয়োজন

করোনাভাইরাস প্রার্দুভাবের কারণে মার্চ মাস থেকে বন্ধ রয়েছে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীরা দিনের পর দিন স্কুলবিহীন, পড়াশুনাবিহীন সময় কাটাচ্ছে। সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রাথমিকের যে ক্লাসগুলো প্রচার করা হচ্ছে, তা চল্লিশ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী দেখতে পারছে না। আর সেখানে তো পুরো ক্লাসগুলো নেই। প্রায়ই দেখা যায়, রিপিটেশন ক্লাস অর্থাৎ একই ক্লাস বার বার দেখানো হয়। এর কারণ হচ্ছে, যথেষ্ট সংখ্যক ক্লাস রেকর্ড করা নেই। এই সংকট উত্তরণে প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চরাঞ্চল, হাওর ও দুর্গম এলাকাসহ সারা বাংলাদেশের সকল শিশুর ভবিষ্যৎ বিবেচনা করে শিক্ষক সংকট নিরসনে প্রাথমিকে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার জন্য দাবি উঠেছে।

এই দাবি পূরণ হলে প্রাথমিক শিক্ষাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আসার কথাও বলছেন আন্দোলন প্রত্যাশীরা। তবে, সেটি একটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট। এর সাথে শুধু প্যানেলভুক্ত শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টিই নয়, বহু কারণ জড়িত। তবে, বিদ্যালয়ে শিক্ষক উপস্থিত থাকলে শিক্ষার্থীরা ক্লাস না পেয়ে বাড়ি ফিরে আসবে না। ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে দেশের সকল শিশুর শতভাগ ভর্তি, ঝরে পড়া রোধ, শতভাগ শিক্ষার হার নির্ণয়ের ক্ষেত্রেও ধনাত্মক ভূমিকা পালন করবে এই সিদ্ধান্ত।

প্রাথমিকে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগের পূর্বাপর

২০১৪ সালের সেপ্টেস্বরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারি শিক্ষক শূন্য পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর দুটি প্যানেলের মামলা জটিলতায় নিয়োগটি চার বছরের জন্য স্থগিত হয়ে যায়। ২০১৮ সালের অক্টোবরে চূড়ান্ত নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগের এই দীর্ঘসূত্রিতার কারণে নব্বই শতাংশ চাকরি প্রত্যাশীদের সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা পেরিয়ে গেছে। ফলে, সব ধরনের আবেদন থেকে বঞ্চিত হন এসব চাকরি প্রার্থীরা। সমগ্র শিক্ষাক্ষেত্রে তিন, চার এমনকি পাঁচ বছরের সেশনজট এবং প্রাথমিকের চার থেকে পাঁচ নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় একটির বেশি আবেদনের সুযোগ পাননি অনেক আবেদনকারী। 

৪৩ হাজার শিক্ষককে প্যানেলে মাধ্যমে নিয়োগ সম্পূর্ণ করতে চার বছর সময় লেগেছে। ফলে ২০১৪ সালের স্থগিত নিয়োগের আবেদনকারীরা যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তার জন্য তারা রাষ্ট্রব্যবস্থাকেই দায়ী করতে চাচ্ছেন। এটি একেবারে উপেক্ষার বিষয় নয়। ২০১০, ২০১২, ২০১৩ এবং ২০১৪ সালে সরকারি প্রাথমিকে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। ২০১৮ সালে প্রাথমিকে প্যানেল শিক্ষক নিয়োগ দানের জন্য এখনও কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। প্যানেল গঠন করে ৩৭,১৪৮ জনকে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় যে কারণে এসব শিক্ষকদের বাদ দিতে চাচ্ছে, সেটি হচ্ছে মানের বিষয়টি। এটি অনেক ভালো চিন্তা। কিন্তু নতুন নিয়োগ দিতে যে দুই বছর সময় লেগে যায়। সে কারণে মূল ক্ষতিটি হয় কিন্তু আমাদের শিশু শিক্ষার্থীদেরই। প্রাথমিক শিক্ষকতায় এখনও সেভাবে উপরে ওঠার সিঁড়ি নেই। তাই মন্ত্রণালয় যাদেরকে চাচ্ছে, প্রাথমিক শিক্ষায় তারা আসছেন না। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের অন্য চাকরিতে যাওয়ার বয়স নেই। তারা তাই মনপ্রাণ দিয়ে কাজ করবে বলেও আমার বিশ্বাস। তবে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা ও গতি নিয়ে আসতে হবে।

লেখক সম্পর্কে

মাছুম বিল্লাহ

মাছুম বিল্লাহ

মাছুম বিল্লাহ ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচিতে কর্মরত রয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ টিচার্স এসোসিশেন (বেল্টা)-এর সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন এবং সাবেক ক্যাডেট কলেজ, রাজউক কলেজ ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

একটি মন্তব্য

  • স্যার যথার্থ লিখেছেন। তবে শুধু মাল্টিবাল চয়েচই যদি হয় মেধা যাচাইয়ের হাতিয়ার তবে তা দ্বারা কতটা যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ পায় তা নিয়ে ভাবার বিষয়। এখন শিক্ষার্থীরা আগের মত পড়াশুনা করে না। ঞ্জানের গভীরে কেউ ঢুকে না।আর রাষ্ট্র ব্যবস্থাও তা চাচ্ছে কিনা সন্দেহ হচ্ছে।যারা একটু পড়াশুনা করে তাদের টেবিলে ১ম বা২য় বর্ষ থেকেই চাকরির জন্য পড়াশুনার বই।বেসিক পড়াশুনা ইউনিভার্সিটিতেই কমে গেছে এ কারনে। ইউনিভার্সিটির পড়াশুনাতেও কেমন জানি তেলের গন্ধ পাওয়া যায়।যেমন আমার সিটটা পড়লেই হবে। হুবহু লেকচার লিখে দিলেই এ+.।

    আবার যারা শুধু গাইড পরে সোনার হরিন নামক চাকরিটা পেয়ে গেছে তারও উদাসিন।নেই তেমন প্রফেশনাল কমিটমেন্ট। শিক্ষকতা তো আর্ট যা মনে লালন করতে হয়।বিশেষ করে প্রাইমারি লেবেলেতো মজা নিয়ে মজা দিয়ে পড়াতে হয়।তার জন্য দরকার পেশাকে মনে লালন করা। সেখানেই বেশি অভাব।

মন্তব্য লিখুন