শিক্ষাব্যবস্থা

করোনার জন্য শিক্ষায় বিকল্প পরিকল্পনা প্রয়োজন

শিক্ষায় বিকল্প পরিকল্পনা থাকা সবসময়ই প্রয়োজন; ছবি: needpix.com
শিক্ষায় বিকল্প পরিকল্পনা থাকা সবসময়ই প্রয়োজন; ছবি: needpix.com

এ-বছর শিক্ষাবর্ষের প্রায় অর্ধেক সময় চলে গেছে বিনা ক্লাস, বিনা পরীক্ষা, এ্যাকাডেমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অন্যান্য কাজ ছাড়া এবং শিক্ষায় বিকল্প পরিকল্পনা ছাড়া। করোনা মহামারির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বন্ধ শুরু হয়েছে সেই ১৭ মার্চ থেকে। এখন পর্যন্ত যে ঘোষণা এসেছে, তাতে বলা হয়েছে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা হবে না। পরিস্থিতির উন্নতি হলে হয়তো সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলা হবে। ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীদের যে ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নেওয়ার জন্য কী করা যাবে, কী করতে হবে আর কী করা উচিত বা শিক্ষায় বিকল্প পরিকল্পনা কী হতে পারে তা নিয়ে নাকি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভাবছে।

এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয়গুলো হচ্ছে জেডিসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষা। সংশ্লিষ্ট সবারই প্রশ্ন— এ পরীক্ষাগুলো হবে কি? উত্তর কিছুট হলেও পাওয়া গেছে। এ পরীক্ষাগুলো হবে। কম সময়ে পরীক্ষা গ্রহণ করা, সব বিষয়ে লিখিত পরীক্ষা না নিয়ে কিছু ক্ষেত্রে সম্ভব হলে ধারাবাহিক মূল্যায়ন বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করার চিন্তাভাবনা চলছে। তবে, ধারাবাহিক মূল্যায়ন যেহেতু কোনো প্রতিষ্ঠানেই সেভাবে করা হয়নি, হঠাৎ করে করতে গেলে সে মূল্যায়ন কিন্তু সঠিক হবে না। অনুমানের ওপর অনেকে নম্বর দেবেন যা শিশুমনে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

এনসিটিবি মনে করে, শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শিক্ষাবর্ষ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে, কিন্তু সিলেবাসে কাঁটছাট না করার পক্ষে মত দেয়। কারণ, তাতে শিক্ষার্থীদের মৌলিক সক্ষমতা অর্জিত হবে না। পাঠ্যবইয়ের যেসব বিষয় না পড়লে শিক্ষার্থীরা পরের শ্রেণিতে গিয়ে ওই শ্রেণির পাঠ বুঝতে পারবে না, সেগুলো চিহ্নিত করে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করে ছুটির পর লেখাপড়া করানোর কথা উঠেছে। এসব বিষয় নিয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের কারিকুলাম শাখা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির কারিকুলাম বিশেষজ্ঞরা একযোগে কাজ করছেন। শিক্ষায় বিকল্প পরিকল্পনা নিশ্চিত করার জন্য সবার একসাথে কাজ করতে হবে।

যতোটা জানা যায় যে, প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি শ্রেণির সিলেবাস কমানো হবে। তবে শিক্ষার্থীরা যাতে সংশ্লিষ্ট শ্রেণির নির্ধারিত দক্ষতা অর্জন করেই পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হতে পারে, সে দিকটিতে নজর রেখে সিলেবাস রিফর্ম করা হচ্ছে। সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠান খোলা হলে সামনের সবধরনের বন্ধ বাদ দিয়ে একটানা ক্লাস করিয়ে ডিসেম্বরেই বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়ার কথা হচ্ছে। আর পরিস্থিতি ভালো না হলে সেপ্টেম্বরেও খুলবে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। সেক্ষেত্রে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অর্থাৎ ২০২০ সালের শিক্ষাবর্ষকে দু’মাস পিছিয়ে দেওয়া হবে। আর বার্ষিক পরীক্ষাও হবে তখন। আর ২০২১ সালের শিক্ষাবর্ষ বারো মাসের পরিবর্তে হবে দশ মাসের অর্থাৎ আগামী মার্চ মাস থেকে শুরু হবে ২০২১ সালের শিক্ষাবর্ষ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের শ্রেণিভিত্তিক নির্ধারিত শিখন ফল ও দক্ষতা অর্জন করানোর দিকটি লক্ষ্য রেখে সিলেবাস কমানোর জন্য পরিকল্পনা শুরু করেছে। শিক্ষার্থীদের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে আলাদা করে সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে তারা। এজন্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও নেপকে বেশ কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বছরের শুরুতেই সারা বছরের পাঠপরিকল্পনা নির্ধারণ করা ছিলো। সংশোধিত সিলেবাসে সেটিকেও পুনর্গঠন করতে বলা হয়েছে। শিক্ষায় বিকল্প পরিকল্পনা হিসেবে এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে বেশিরভাগ শিক্ষক ও অভিভাবকদের অনুমতি নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীর বইয়ের বোঝা কমিয়ে প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সব বই মোবাইল ফোনের অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহার উপযোগী করার কথাও শোনা যাচ্ছে। যেকোনো শ্রেণির শিক্ষার্থী তার মুঠাফোন থেকেই ক্লাসের সব বিষয়ের বই পড়তে পারবে। এ উদ্দেশ্যে  জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সাধারণ শিক্ষায় প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সব বইয়ের জন্য মোবাইলের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা হবে। সেখানে সব ক্লাসের জন্য নয়টি অ্যাপস তৈরি হবে এবং প্রত্যেক ক্লাসের সবগুলো বই থাকবে। কোনো ইন্টারন্টে সংযোগ এবং পিডিএফ রিডার এক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে না। এটি যত দ্রুত সম্ভব করা প্রয়োজন। শিক্ষায় বিকল্প পরিকল্পনা কার্যক্রমের এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক।

আমাদের দেশ থেকে প্রতিবছর ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, রাশিয়া, জাপান, মালয়েশিয়া, প্রতিবেশি দেশ ভারতসহ বিভিন্ন দেশে লক্ষাধিক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা অর্জনে পাড়ি জমায়। তাদের মধ্যে অনেকেই বৃত্তি নিয়ে বিনাখরচে পড়ালেখার সুযোগ পেয়ে থাকেন। পড়ালেখা শেষে কেউ কেউ সেসব দেশে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলেন, আবার কেউ কেউ দেশে ফেরেন। ইউনেস্কো ইনস্টিটিউট ফর স্ট্যাটিসটিকসের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫ সালে বিভিন্ন দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছিলেন ১৫ হাজার বাংলাদেশি। ২০১৭ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৬ হাজারে। ২০১৯ সালে এসে তা লক্ষাধিক ছাড়ায়।

ইউনেস্কোর তথ্য অনুযায়ী, বিদেশ ডিগ্রি নিতে যাওযা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৫০ শতাংশের বর্তমান গন্তব্য মালয়শিয়া। সাত বছরের ব্যবধানে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বেড়েছে ১৫০০ শতাংশ। ২০১০ সালে যেখানে মালয়েশিয়াগামী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ১৭২২, ২০১৯ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫০ হাজারে। ইউনেস্কোর প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের মানুষের নিম্ন-জীবনমান, দুর্বল শিক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিদেশমুখী করছে। বিদেশে পড়তে যাওয়া তরুণের অধিকাংশই ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা এবং সচ্ছল পরিবারের। এদের মধ্যে অনেকেই আর দেশে ফেরেন না। করোনার কারণে এসব ক্ষেত্রেও চরম স্থবিরতা বিরাজ করছে। দেখা দিয়েছে ভিসা জটিলতা।

উচ্চশিক্ষাও করেনার থাবায় হয়েছে ক্ষতবিক্ষত। এই শিক্ষায় বিকল্প পরিকল্পনা কতোটুকু দৃশ্যমান? ইউজিসি সূত্র জানায়, দেশের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৪১ লাখ। এর মধ্যে ৪৪টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় তিন লাখ। আর ১০৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় চার লাখ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দুই হাজার ২৫৮টি কলেজে শিক্ষার্থী প্রায় ২৮ লাখ। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ লাখ। আর আরবি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রয়েছে আরো প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থী। এরই মধ্যে উচ্চশিক্ষায় যে ক্ষতি হয়েছে, তা পোষাতেই কমপক্ষে এক বছর লেগে যাবে। গত এক দশকে যে সেশনজট অনেকাংশে কমে এসেছিলো, করোনায় তা আবারও আসার আশঙ্কা জেগেছে। এখনও যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলো খুলেনি, তাই এই ক্ষতি পোষাতে প্রায় দুই বছর লেগে যেতে পারে।

উচ্চশিক্ষায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে খোঁজ নিতে মে মাসে ইউজিসি একটি সমীক্ষা চালায়। সেখানে ৪০ হাজার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ৭২টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। সমীক্ষায় জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের ৮৬.৬ শতাংশের স্মার্টফোন রয়েছে। ৫৫ শতাংশের ল্যাপটপ আছে। অন্যদিকে সব শিক্ষকের ল্যাপটপ আছে। কিন্তু ক্লাস নেওয়ার ক্ষেত্রে ইন্টারনেট খরচ, দুর্বল নেটওয়ার্কসহ বেশ কয়েকটি সমস্যার কথা জানিয়েছেন তারা।

বায়োটেড নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গত ৯ থেকে ১১ মে একটি সমীক্ষা চালায়। সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের দুই হাজার ৩৮ জন শিক্ষার্থী এত অংশ নেন। এর মাধ্যমে বেরিয়ে আসে শিক্ষার্থীদের মাত্র ২৩ শতাংশ অনলাইনে ক্লাস করতে চান, বাকি ৭৭ শতাংশ অনলাইন ক্লাসে আগ্রহী নন। ৫৫ শতাংশের ক্লাস করার উপযোগী ডিভাইস অর্থাৎ ল্যাপটপ বা কম্পিউটার রয়েছে, বাকিদের নেই। ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর ক্লাস করার উপযোগী ইন্টারনেট সংযোগ নেই। আর ৮২ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেন, অনলাইন ক্লাসরুম সত্যিকার ক্লাসরুমের মতো কার্যকর নয়।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই মে মাস থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনলাইনে ক্লাস শুরু করেছে। তবে আট-দশটি ছাড়া বাকিগুলো মূলত জোড়াতালি দিয়ে ক্লাস নিচ্ছে। সেমিস্টার ও টিউশন ফি আদায় করতে অনেকেই কোনোরকমে অনলাইন ক্লাস চালাচ্ছে। একজন শিক্ষার্থী কতটুকু শিখছে সেই ব্যাপারটি দেখা হচ্ছে না।

বেশিরভাগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েই বছরে তিনটি সেমিস্টার চালাচ্ছে। জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত স্প্রিং, মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত সামার এবং সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ফল সেমিস্টার। স্প্রিং সেমিস্টারের মাঝামাঝিতে করোনাকাল শুরু হয়। ফলে বাকি কোর্স তারা অনলাইনে সম্পন্ন করে পরীক্ষাও নেয়। ক্লাস করুক আর না করুক, অথবা যাই শিখুক না কেন, সব শিক্ষার্থীকেই পরবর্তী সেমিস্টারে উন্নীত করেছে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এতে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। সেই ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কী চিন্তা করছে এবং ইউজিসির কী নির্দেশনা রয়েছে বা পরিকল্পনা করছে, তা উন্মুক্ত হওয়া প্রয়োজন। কারণ শুধু সেমিস্টার পার হলেই যে হবে না, তার একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে চাকরির বাজারে, জ্ঞানীয় জগতে ও উচ্চশিক্ষার জন্য বহির্বিশ্বে যাওয়ার ওপরও।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন জানায়, প্রতি বছর ইউজিসির মাধ্যমে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে কমনওয়েলথ বৃত্তি ও ইউজিসি বৃত্তির আয়োজন করা হয়। এতে প্রায় কয়েক হাজার শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করলেও শতাধিক ব্যক্তিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচন করে বৃত্তি দিয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ করে দেওয়া হয়। ইউজিসির কর্মকর্তারা জানান, গত বছর ইউজিসির আয়োজনে কমনওয়েলথ স্কলারশিপে মোট ৬৩ জন নির্বাচিত হলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে বিদেশ পাড়ি দিতে পারছেন না। দ্রুত সময়ে কীভাবে তাদের পাঠানো যায় সে বিষয়ে তারা কাজ করছেন। এটি আশার কথা। তবে করোনা মহামারী পুরো উচ্চশিক্ষা জগতে যে প্রভাব ইতোমধ্যে ফেলেছে, তা থেকে উত্তরণের সঠিক পন্থাগুলো এখনই প্রকাশ করা উচিত। শিক্ষায় বিকল্প পরিকল্পনা সবসময়ই থাকা প্রয়োজন।

লেখক সম্পর্কে

মাছুম বিল্লাহ

মাছুম বিল্লাহ

মাছুম বিল্লাহ ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচিতে কর্মরত রয়েছেন। তিনি সাবেক ক্যাডেট কলেজ, রাজউক কলেজ ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

মন্তব্য লিখুন