বাড়িশিক্ষাক্রম ও পুস্তকপুরোনো বইয়ের বাজার এবং বাংলাদেশে জ্ঞানচর্চার বাস্তবতা

নেওয়াজ ফেরদৌস রচি লিখেছেন পুরনো বইয়ের বাজার নিয়ে

বাংলাদেশের অন্যতম ও বিখ্যাত পুরোনো বইয়ের বাজার অবস্থিত ঢাকার নীলক্ষেতে। বেশ কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নীলক্ষেতের পুরনো বইয়ের একটি দোকান হাতবদলকে কেন্দ্র করে আবারও সামনে এসেছে দেশের পুরোনো বইয়ের বাজার ও এর অবস্থা। বর্তমান সামগ্রিক চিত্র বিশেষত বাজারের বিস্তৃতি এবং পাঠকসমাজে এর গ্রহণযোগ্যতাও আলোচিত হচ্ছে। সব মিলিয়ে, বাংলাদেশের মতো একটি দেশে যেখানে জ্ঞানচর্চা শুধুই প্রাতিষ্ঠানিক গন্ডিতে আবদ্ধ, সেখানে পুরোনো বইয়ের বাজারের চাহিদার উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, বেশ কয়েক দশক ধরে নীরবে জ্ঞানচর্চার চিরচেনা ক্ষেত্রগুলোর গুণগত বৈচিত্র্যায়ন ঘটেছে।

মূলত অপ্রাতিষ্ঠানিক বাজার হিসেবে নতুন বইয়ের সমান্তরালে গড়ে ওঠা পুরোনো বইয়ের বাজারের চাহিদা ও জোগান বেশ সমৃদ্ধ। ঢাকা শহরে নীলক্ষেতে বিখ্যাত ইসলামিয়া বইবাজারের একাংশ জুড়ে পুরোনো বইয়ের যে দোকানের সারি, তাতে পাঠকদের নিত্য আনাগোনা প্রমাণ করে দেয় যে, বিবর্ণ পাতা ও মলিন মলাটের পুরনো বইয়ের বাজার ও এর চাহিদা ঠিক কতোটা বিস্তৃত।

ভার্চুয়াল জগতের ক্রমবর্ধমান আধিপত্যের জেরে বই পড়ার অভ্যাসের মতো গুণগত দক্ষতা উন্নয়নকারী শিক্ষা মাধ্যম যখন জেরবার, তখন পুরোনো বইয়ের বাজারের স্থিতি যেন আমাদেরকে জ্ঞানচর্চার পুরাতন সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে স্মরণ করিয়ে দেয়। একসময় ছাপা বইকে আক্ষরিক অর্থেই সবসময়ের সঙ্গী বলা হতো। পুরোনো বইগুলোর মলাটের ভেতর উপহার হিসেবে উৎসর্গ করে লেখা হৃদয়-নিংড়ানো শব্দমালার সমাবেশ যেন কার্যকরভাবে মনে করিয়ে দেয় বই আদর্শ অর্থেই জ্ঞান ও বিনোদনের কার্যকর মাধ্যম হিসেবে আমাদের সঙ্গী ছিলো।

প্রধানত নতুন বইয়ের বাজার থেকে পাঠকের কয়েক হাত ঘুরে আসা এসব বই একই সাথে বহন করে আছে বিভিন্ন প্রিয়জন কর্তৃক দেওয়া উপহারের স্মৃতি। বিশেষত গত শতাব্দীতে সামাজিক উৎসব পার্বণে উপহার হিসেবে বই ছিলো এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী সামগ্রী যা উপহারদাতার রুচি ও বহিঃপ্রকাশ হিসেবেও সমান্তরালে বার্তা বহন করতো। তাছাড়া স্মারক উপহার ও সৌজন্য কপি হিসেবে নামিদামি লেখকদের অটোগ্রাফসমৃদ্ধ বইয়ের অনাগ্রহ সংগ্রহ পুরোনো বইয়ের বাজারে জোগানের পাইপলাইনকে সমৃদ্ধ করেছে বললেও অত্যুক্তি হবে না।

তাছাড়া পুরোনো দেশি-বিদেশি ম্যাগাজিনের অবাধ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিনিময়ের বদৌলতে পুরনো বইয়ের বাজার আক্ষরিক অর্থেই অপ্রাতিষ্ঠানিক আর্কাইভে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে কিছু অসাধু লাইব্ররি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সুবাদে দেশের অনেক সমৃদ্ধ লাইব্রেরির দামি দুর্লভ বইয়ের গোপন পাচার পুরোনো বইয়ের সংগ্রহ অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করে রেখেছে ।

প্রধানত নতুন বইয়ের পাঠকদের বেশ কয়েক হাত ঘুরে আসা এসব বেশিরভাগ বইয়ের সাথে জড়িয়ে আছে বিভিন্ন মানুষের উপহারের স্মৃতি। বিশেষত জন্মদিন, বিবাহ কিংবা বিশেষ দিনগুলোতে প্রিয় মানুষকে উপহার হিসেবে বইয়ের এককালে প্রাচুর্যময় প্রচলনের বিগত স্মৃতি যা আমাদেরকে এককালে এক বইপড়ুয়া প্রজন্মের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এছাড়া শুভেচ্ছা কিংবা সৌজন্য কপি হিসেবে লেখকদের দ্বারা উপহারকৃত বইও স্থান দখল করে রয়েছে ধূলিধুসরিত পুরোনো বইয়ের দোকানগুলোতে। দেশের লাইব্রেরির একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারির সুবাদেও বেশ উল্লেখযোগ্য দামি বই চলে আসে সেকেন্ড হ্যান্ড বলে পাঠকসমাজে পরিচিত এসব দোকানে। ফলে সামগ্রিকভাবে পুরোনো বইয়ের কাঠামোগত উৎস যেমন ছড়ানো-ছিটানো, তেমনি সুনির্দিষ্ট জোগান ও চাহিদার পরিমাণও অনিশ্চিত ও অপ্রাতিষ্ঠানিক।

বাংলাদেশের মতো এখনো সংকোচনশীল বইয়ের বাজারে যেখানে পাঠ্যপুস্তক মূলত বইয়ের বাজারের সিংহভাগ দখল করে রেখেছে, সেখানে পুরোনো বই বাজারের মতো অপ্রাতিষ্ঠানিক মাধ্যম বইপড়ুয়া প্রজন্ম তৈরিতে কতোটা প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম?

উত্তর খুঁজতে হবে আমাদেরকে প্রথম নজর দিতে হবে পুরোনো বইয়ের বাজারের উৎপত্তির কার্যকারণের ওপর। বিশেষত নতুন বইয়ের মতো প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ থাকার পরও পুরোনো বইয়ের বাজার, চাহিদা ও বিস্তৃতি আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয় প্রচলিত বইবাজার ব্যবস্থার ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতাকে। সেখানে বই ছাপানো ও বাজারজাতকরণ বেশ আগ্রাসী লক্ষ্যমাত্রা ও মুনাফাকেন্দ্রিক। এটি নতুন বইয়ের বাজারকেও প্রচলিত পণ্যবাজারের ন্যায় প্রতিযোগী বাজারব্যবস্থায় রূপান্তর করেছে। ফলে এটি সৃজনশীল জ্ঞানভিত্তিক পাঠক তৈরির লক্ষ্যকে পাশ কাটিয়ে অর্থনৈতিক চাহিদাভিত্তিক পাঠক তৈরিতে মনোনিবেশ করেছে। এর সাম্প্রতিক প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যাবে চাকরির প্রস্তুতিকেন্দ্রিক বই-ব্যবসার ফুলেফেঁপে ওঠার চালচিত্র দেখে।

পুরোনো বইয়ের বাজার যেন ঠিক সেখানেই এক আশার আলো দেখাচ্ছে সদিগ্ধ পাঠকেরা তাদের সৃজনশীল জ্ঞানচাহিদার বিকল্প বাজার উৎস খুঁজে পেয়েছেন, সেটি যতোই ক্ষুদ্র ও অপ্রাতিষ্ঠানিক হোক না কেন। বিশেষ করে, কপিরাইটের আইনের বাধা পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক বইয়ের চাহিদার মূল্যভিত্তিক কার্যকর সমাধান প্রকাশনা সংস্থাগুলো যৌক্তিক কারণে দিতে অপারগ। তখন পুরোনো বইয়ের বাজার ঢাকাসহ জেলা শহরগুলোয় স্বস্তির বাতাস বয়ে এনেছে। রিসাইক্লিংয়ের ন্যায় ছাপানো বইয়ের সর্বোচ্চ গুণগত ব্যবহার ও ব্যবহারে ক্রমাগত সৃজনশীলতা পুরোনো বইয়ের পাঠক সমাজ বিনিমার্ণে ভূয়সী প্রশংসার দাবিদার।

তাছাড়া বর্তমান উচ্চমূল্যের শিক্ষাসামগ্রীভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাব্যয় হ্রাসে পুরোনো বইয়ের বাজার বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো বিদেশি কনটেন্টভিত্তিক শিক্ষাসামগ্রীর শিক্ষাব্যবস্থায় হাতবদল করে আসা পুরোনো বইগুলোর সামষ্টিক অবদান অর্থনৈতিকভাবেও প্রশংসার দাবিদার।

যদিও বেপরোয়া পাইরেসির যে চিরায়ত অভিযোগ, সেটি আমলে নিলেও পুরাতন বইয়ের চাহিদা কমছে তো নয়ই; বরং নতুন নতুন কনটেন্ট যুক্ত হওয়ায় পাঠকসমাজের বিস্তৃতি ভালোভাবে নির্দেশ করছে। এছাড়া বিদেশি পুরোনো বইয়ের সূত্রে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের যে সুসংহত মিথস্ক্রিয়া গড়ে ওঠেছে, সেটি বৃহত্তর পরিসরে বিদ্যমান পৃথিবীর ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আস্থা বিশ্বাস ও টেকসই সম্পর্ক বিনির্মাণে সম্ভাব্য সহায়তার পথকে উন্মুক্ত করবে।

একটা সময় ছিল দেশের বিদ্যালয় শিক্ষাব্যবস্থা পাঠ্যপুস্তকের অর্ধেকের বেশি জোগান আসতো হাতবদল করে চলা পুরোনো পাঠ্যপুস্তকের ওপর ভর করে। এটি তৃণমৃলে বেশ জনপ্রিয় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা উপকরণ হিসেবে বিবেচিত হতো। পরে পাঠ্যপুস্তকের ছাপার মানের ক্রমবিকাশে সেই পুরোনো বইয়ের প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের হাত বদলের ইতিহাস আজ চর্চিত অংশ। কিন্তু আমাদেরকে এটি নির্বিঘ্নে স্বীকার করতে হবে যে, সেসময়কালে স্কুলশিক্ষার সরকারি শিক্ষাসামগ্রী ব্যয়ের সিংহভাগ অংশ রীতিমতো পুরোনো বই বহন করেছে।

পুরোনো বইয়ের মূল্য নির্ধারণ এই খাতের ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি নিয়ামক যা পুরোনো বইয়ের সংগ্রহ ও সংরক্ষণের অগ্রাধিকার তালিকাকে প্রভাবিত করে। মূলত দরকষাকষিনির্ভর এই মূল্য প্রতিযোগিতায় ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সুসম্পর্ক, বইয়ের সার্বিক মান, দুষ্প্রাপ্যতা, ক্রেতার চাহিদা— এসব ক্রমবর্ধিষ্ণু অগ্রাধিকারের ওপর সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি নির্ভর করে।

একটি দিক বেশ লক্ষণীয় যে, ক্রেতার রুচি ও চাহিদাকে কেন্দ্র করেই বিক্রেতাগণ তাদের মূল্য যোজন-বিয়োজন করে থাকেন। ফলে এখানে যে পক্ষ দরকষাকষিতে দক্ষ হবেন তিনি বাজিমাত করবেন। তবে মূল প্রতিযোগিতার বাইরেও ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যকার আস্থা, বিশ্বাস ও সৌহার্দ্যমূলক সম্পর্কের যে মানবিক সম্পর্ক গড়ে ওঠেছে, পুরোনো বইয়ের সৌজন্যে সেটি কিন্তু এই কোভিড-১৯ সংকটকালীন দেখা গেছে।

পুরোনো বইয়ের বাজারের হিস্যার কথা ভাবলে এখানে ভারতীয় বাংলা বই সবচেয়ে বেশি অংশ দখল করে আছে। বিশেষ করে উপন্যাস, গল্প, ভ্রমণকাহিনী ও ম্যাগাজিনের কথা ভাবলে। এদেশের পাঠকসমাজে সচেতনভাবেই ভারতীয় বাংলা বইয়ের বিস্তৃত ও জনপ্রিয় চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে পুরোনো বইয়ের বাজারে বিদেশি বইয়ের স্ফীত চাহিদার পেছনে রয়েছে দেশি বইয়ের কনটেন্ট স্বল্পতার করুণ চিত্র।

দেশের বইয়ের বাজার যেখানে শুধু ফেব্রুয়ারি মাসের মহান একুশে গ্রন্থমেলাকেন্দ্রিক, সেখানে ভারতীয় বাংলা বইয়ের কনটেন্টের বৈচিত্র্যতাকে এদেশের পাঠকসমাজ তাদের রুচির বিকাশে অন্যতম কার্যকর ইতিবাচক বিকল্প হিসেবে সাদরে গ্রহণ করেছে। যদিও এই চাহিদা নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক হিসেব-নিকেশ আজ অবধি করা হয়নি, তবু চাক্ষুষ অভিজ্ঞতা ইতিবাচক উল্লম্ফনের দিকেই আঙ্গুলি নির্দেশ করবে।

অভূতপূর্ব এই মানবিক সংকটে অন্য অনানুষ্ঠানিক খাতের মতোই পুরোনো বইয়ের বাজারের হতাশাজনক চিত্র আমাদেরকে বলে দেয় এই খাতে দৃশ্যমান কোনো সুসংগঠিত পদক্ষেপ নেই। বরং ব্যক্তি উদ্যোগের যে অন্তহীন প্রচেষ্টা এতোদিন এই খাতকে বাঁচিয়ে রেখেছে, তারাও আজ অর্থনৈতিক সংকট দৈন্যতায় ভুগছে।

অথচ গোচরে-অগোচরে তারা যে জ্ঞানের আর্কাইভ রক্ষণাবেক্ষণ করেছেন, তার যথাযথ প্রণোদনা হোক সেটি আনুষ্ঠানিক পৃষ্ঠপোষকতা কিংবা সামজঞ্জ্যপূর্ণ অর্থনৈতিক সহায়তা কোনোটাই আজ অবধি পেয়ে ওঠেননি। এটি এই সংকটকালে খুব দরকার।

দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও দেশীয় বই প্রকাশনা জগতের কনটেন্টের সীমাবদ্ধতার দ্বৈত সংকটে পাঠক সমাজকে উৎসাহিত করছে দেশের বাইরের প্রকাশনা জগতে দৃষ্টি দিতে। এটি একদিকে অর্থনৈতিকভাবে খরুচে ব্যাপার। সেখানে বিদেশি প্রকাশনা জগতের হাত বদলে আসা পুরোনো বইয়ের পাইপলাইন যেন এক অর্থে বৈচিত্র্যপূর্ণ কনটেন্ট সংকটে এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টির নামান্তর। অন্যদিকে জ্ঞানের প্রজন্ম হাতবদলের সাক্ষী পুরোনো বইয়ের বাজার।

ছাপা বইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে সর্বব্যাপ্ত অনিশ্চয়তার সমান্তরালে যখন অনলাইন বাজারের প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের চোখ রাঙানির মুখে ব্যক্তি উদ্যোগনির্ভর পুরোনো বইয়ের বাজারের মূল শক্তি এর বৈচিত্র্যতা পিয়াসী পাঠক। মূলত তাদের নিরবচ্ছিন্ন স্বতস্ফূর্ত সহযোগিতা পারে অভূতপূর্ব এই সংকটে পুরোনো বইয়ের বাজারের স্বল্প পুঁজির বিকল্প জ্ঞানচর্চার গড়ে ওঠা ঐতিহ্যকে সতেজতার সাথে বাঁচিয়ে রাখতে।

আরও পড়ুন

মতামত

বিজ্ঞান চেতনা: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোন বিজ্ঞান শিখছে শিশুরা?

নাহিদ নলেজ বিজ্ঞান চেতনা নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা কী- এ সম্পর্কে বিস্তর কথাবার্তা আমাদের সবার জানা। সেই প্রাথমিক শিক্ষাটুকুই যদি গলদপূর্ণ হয়, তাহলে আর কী কথা...

দেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আপনি কি সন্তুষ্ট?

মোঃ তৌফিক ইমাম চৌধুরী লিখেছেন বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে বর্তমানে শিক্ষাব্যবস্থা আছে তা নিয়ে কি আপনি পুরোপুরি সন্তুষ্ট? প্রাথমিক কিংবা নিম্নমাধ্যমিক শ্রেণীতে একজনকে অনেকগুলো বিষয়ে পড়তে...
নতুন লেখার খবর পান ইমেইলে
বাংলাদেশের শিক্ষা প্রসঙ্গে নতুন লেখা প্রকাশিত হলে সেই খবর পৌঁছে যাবে আপনার ইমেইলে।

এই বিভাগের আরও লেখা

বই পর্যালোচনা: তোত্তোচান জানালার ধারে ছোট্ট মেয়েটি

তানজিনা আক্তার রুপা পর্যালোচনা করেছেন তোত্তোচান বইটির বাংলা অনুবাদ জাপানের সবচেয়ে জনপ্রিয় একজন টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব...

বই পর্যালোচনা: ব্যাকরণ ও বিবিধ

মূল লেখাটি লিখেছেন: আবদুল্লাহ আল নোমান; প্রকাশ করেছেন: সম্পাদক, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যাকরণ ও বিবিধ বইয়ের...

বিদ্যালয় হোক আনন্দের এক রঙিন ফুল

হাবীব ইমন লিখেছেন বিদ্যালয় ও আনন্দময় শিক্ষা নিয়ে শিক্ষা-সংশ্লিষ্টতায় অনেকদিন যোগাযোগ ছিল না। যখন একটি...

শিক্ষাক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশন: সংশ্লিষ্টদের বিড়ম্বনা

ডিজিটালাইজেশন তথা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের সম্প্রসারণের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে তথ্যের আদান-প্রদানকে সহজলভ্য করে মানুষের সময়, শ্রম ও অর্থের সাশ্রয় করা। এক্ষেত্রে পরিকল্পনা প্রণয়ন পর্যায়ে দেশে বিরাজমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সুবিধা ও সুবিধাভোগীদের প্রযুক্তিজ্ঞানের কথা যেমন মাথায় রাখতে হবে, তেমনি গৃহীত পদক্ষেপ বা পদ্ধতি কতটা সুবিধা দিতে পারছে তাও নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে। আর তাহলেই আমরা এগিয়ে যেতে পারবো তথ্যপ্রযুক্তির অপার সম্ভাবনার রাজ্যে।

পাঠ্যপুস্তক উৎসব এবং প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর এক উৎসবমুখর পরিবেশে শিক্ষার্থীরা স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে নতুন বই হাতে নিয়ে বাড়ি ফিরে। এ এক অভূতপূর্ব দৃশ্য!

বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থায় বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে প্রস্তাবনা

আদর্শ শ্রেণিকক্ষে দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক যদি সময়ের চাহিদা পূরণে সক্ষম এমন বিষয়বস্তু সম্বলিত পাঠ্যপুস্তক অনুসরণ করে আধুনিক শিখন-শেখানো পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীকে শিক্ষালাভে সহায়তা করেন এবং যথাযথভাবে মূল্যায়ন করেন তবেই সম্ভব হবে আকাঙ্ক্ষিত মাত্রায় শিখনফল অর্জন। সার্থক হবে শিক্ষাব্যবস্থা, অর্জন করা সম্ভব হবে শিক্ষার প্রকৃত লক্ষ্য

ইংরেজি প্রশ্ন নিয়ে বিভ্রান্তি এবং এনসিটিবির ভূমিকা

যদি এমন করা হতো যে, এনসিটিবি কর্তৃক বই গাইডলাইন আকারে থাকবে এবং প্রশ্ন বাজারের কোনো ধরনের বই থেকে কোনোভাবেই নেয়া যাবে না, তবে প্রাকটিসের জন্য শিক্ষার্থীরা যে কোনো বই অুনশীলন করতে পারে তাহলে সমস্যার অনেকটাই সমাধান হতো এবং ইংরেজি পরীক্ষা সঠিক গ্রহণযোগ্যতা পেত।

নতুন শব্দ : আসুন ১ম শ্রেণিতে আবারো ভর্তি হই

আচ্ছা, ভেবে দেখুন তো, আপনার পরিবার বা প্রতিবেশীর ছোট বাচ্চাটি এসে যদি আপনাকে একটি ছাগল দেখিয়ে বলে, অই যে দেখ অজ- আপনি কী করবেন?